18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকপূর্ব তিমোরের ৫০ বছর: রাষ্ট্রপতি হোসে রামোস-হোর্তা

পূর্ব তিমোরের ৫০ বছর: রাষ্ট্রপতি হোসে রামোস-হোর্তা

পূর্ব তিমোরের রাজধানী দিলিতে ইন্দোনেশিয়ার আগ্রাসনের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দেশটির রাষ্ট্রপতি হোসে রামোস-হোর্তা তার দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।

পূর্ব তিমোর ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার আগ্রাসনের আগে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। রামোস-হোর্তা তখন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। ইন্দোনেশিয়ার আগ্রাসনের পর তিনি জাতিসংঘে তার দেশের স্বাধীনতার জন্য সমর্থন চেয়েছিলেন।

ইন্দোনেশিয়ার দখলের ফলে পূর্ব তিমোরে প্রায় ২ লাখ মানুষ মারা যায়। রামোস-হোর্তা ২৪ বছর ধরে তার দেশের নির্বাসিত কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করেছেন।

১৯৯৬ সালে রামোস-হোর্তা নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত একটি গণভোটে পূর্ব তিমোরের জনগণ স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দেয়।

পূর্ব তিমোর ২০০২ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। তবে দেশটি এখনও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

রামোস-হোর্তা বলেছেন, তার দেশ এখনও অনেক বেশি কিছু অর্জন করতে চায়। তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়কে তার দেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

পূর্ব তিমোরের স্বাধীনতা সংগ্রাম বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে একটি অনুপ্রেরণা।

রামোস-হোর্তার নেতৃত্ব ও সংকল্প পূর্ব তিমোরকে একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছে।

পূর্ব তিমোরের ইতিহাস বিশ্বকে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের মূল্যের বিষয়ে শিক্ষা দেয়।

রামোস-হোর্তার গল্প বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই করা সকলের জন্য একটি অনুপ্রেরণা।

পূর্ব তিমোরের স্বাধীনতা সংগ্রাম বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

রামোস-হোর্তার নেতৃত্ব ও সংকল্প পূর্ব তিমোরকে একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছে।

পূর্ব তিমোরের ইতিহাস বিশ্বকে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের মূল্যের বিষয়ে শিক্ষা দেয়।

রামোস-হোর্তার গল্প বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই করা সকলের জন্য একটি অনুপ্রেরণা।

পূর্ব তিমোরের স্বাধীনতা সংগ্রাম বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

পূর্ব তিমোরের ইতিহাস বিশ্বকে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের মূল্যের বিষয়ে শিক্ষা দেয়।

রামোস-হোর্তার নেতৃত্ব ও সংকল্প পূর্ব তিমোরকে একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছে।

পূর্ব তিমোরের স্বাধীনতা সংগ্রাম বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

রামোস-হোর্তার গল্প বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই করা সকলের জন্য একটি অনুপ্রেরণা।

পূর্ব তিমোরের ইতিহাস বিশ্বকে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের মূল্যের বিষয়ে শিক্ষা দেয়।

রামোস-হোর্তার নেতৃত্ব ও সংকল্প পূর্ব তিমোরকে একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছে।

পূর্ব তিমোরের স্বাধীনতা স

৮৯/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: আল জাজিরা
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
AI-powered আন্তর্জাতিক content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments