18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeস্বাস্থ্যজনসন অ্যান্ড জনসনকে ৪ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ

জনসন অ্যান্ড জনসনকে ৪ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত জনসন অ্যান্ড জনসনকে দুই নারীর প্রতি মোট ৪ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছে। তারা দাবি করেছেন যে, জনসন অ্যান্ড জনসনের ট্যালকভিত্তিক বেবি পাউডার ব্যবহারের ফলে তারা ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন।

এই রায়ের মাধ্যমে জনসন অ্যান্ড জনসনকে মনিকা কেন্টকে ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার এবং ডেবোরা শুল্টজ ও তাঁর স্বামীকে ২ কোটি ২০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আদালতের জুরি মনে করেন যে, জনসন অ্যান্ড জনসন দীর্ঘদিন ধরেই জানত যে তাদের ট্যালকভিত্তিক পণ্যগুলো স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তবে সে বিষয়ে ভোক্তাদের যথাযথভাবে সতর্ক করেনি।

মনিকা কেন্টের ডিম্বাশয়ের ক্যানসার ধরা পড়ে ২০১৪ সালে এবং ডেবোরা শুল্টজের ক্যানসার শনাক্ত হয় ২০১৮ সালে। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যান্ডি বার্চফিল্ড বলেন, ১৯৬০-এর দশক থেকেই জনসন অ্যান্ড জনসন জানত যে তাদের ট্যালকভিত্তিক পণ্য ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে, তবু প্রতিষ্ঠানটি সে তথ্য গোপন রেখেছে।

জনসন অ্যান্ড জনসনের পক্ষে আইনজীবী অ্যালিসন ব্রাউন বলেন, ট্যালক ব্যবহারের সঙ্গে ক্যানসারের যোগসূত্রের বিষয়ে কোনো বড় মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থা বা বৈজ্ঞানিক গবেষণার সমর্থন নেই। তাঁর দাবি, শরীরের বাইরে ব্যবহৃত ট্যালক প্রজনন অঙ্গে পৌঁছাতে পারে—এমন কোনো প্রমাণও নেই।

এই রায়ের প্রতিক্রিয়ায় জনসন অ্যান্ড জনসনের বৈশ্বিক লিটিগেশনবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিক হাস এক বিবৃতিতে বলেন, কোম্পানি এই রায়ের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আপিল করবে এবং পূর্বের মতোই আপিল আদালতে জয়ী হওয়ার বিষয়ে তারা আশাবাদী।

জনসন অ্যান্ড জনসনের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৬৭ হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। জনসন অ্যান্ড জনসন দাবি করে আসছে, তাদের পণ্য নিরাপদ, এতে অ্যাসবেস্টস নেই এবং এটি ক্যানসার সৃষ্টি করে না। তবে বিতর্কের প্রেক্ষাপটে কোম্পানিটি ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ট্যালকভিত্তিক বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধ করে কর্নস্টার্চভিত্তিক পণ্য বাজারজাত শুরু করে।

ট্যালক-সংক্রান্ত মামলাগুলোতে জনসন অ্যান্ড জনসনের রায় ফলাফল মিশ্র। কিছু মামলায় জুরি ডিম্বাশয়ের ক্যানসারের জন্য বেবি পাউডারকে দায়ী করে সর্বোচ্চ ৪৬৯ কোটি ডলার পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন। তবে কিছু মামলায় কোম্পানি সম্পূর্ণভাবে জয়ী হয়েছে এবং কিছু রায় আপিলে কমে গেছে।

এই রায়ের পর প্রশ্ন তোলে যে, ট্যালকভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করা উচিত কিনা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ট্যালকভিত্তিক পণ্য ব্যবহারের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এই বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন এবং ভোক্তাদের সচেতন করা উচিত।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
AI-powered স্বাস্থ্য content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments