ভেনেজুয়েলার তেল রফতানি গত সপ্তাহে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এটি ঘটেছে মার্কিন নৌবাহিনী ভেনেজুয়েলার উপকূলে একটি তেল ট্যাঙ্কার জড়ো করার পর। এছাড়াও মার্কিন সরকার ভেনেজুয়েলার সাথে ব্যবসা করা শিপিং কোম্পানিগুলোর উপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
ভেনেজুয়েলার জলসীমায় তেল ট্যাঙ্কারের চলাচল প্রায় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। মার্কিন সরকার আরো জাহাজ জড়ো করার হুমকি দিয়েছে। এর ফলে প্রায় ১১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ও জ্বালানি ভর্তি ট্যাঙ্কারগুলো ভেনেজুয়েলার জলসীমায় আটকা পড়েছে।
শুধুমাত্র মার্কিন তেল কোম্পানি চেভরনের চার্টার্ড ট্যাঙ্কারগুলো ভেনেজুয়েলার বন্দর থেকে বের হয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ভেনেজুয়েলার ক্রুড তেল পরিবহন করেছে। চেভরন মার্কিন সরকারের অনুমতি নিয়ে ভেনেজুয়েলায় কাজ করছে। তারা ভেনেজুয়েলার সরকারি তেল কোম্পানি পিডিভিএসএর সাথে যৌথ উদ্যোগে কাজ করে তেল রফতানি করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন যে মার্কিন সামরিক বাহিনী ল্যাটিন আমেরিকায় মাদক চোরাচালান রোধে স্থলভাগে হামলা শুরু করবে। এই হামলার ফলে কয়েক সপ্তাহে ৯০ জনেরও বেশি মারা গেছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের উপর মার্কিন সরকারের চাপ বাড়ছে। মার্কিন সরকার মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়। ভেনেজুয়েলার তেল রফতানি হ্রাসের ফলে দেশটির অর্থনীতি আরো বেগুনি হবে।
ভেনেজুয়েলার সরকার মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপগুলোকে দেশটির সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে মনে করছে। তারা বিশ্বায়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ভেনেজুয়েলা এবং মার্কিন সরকারের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।
ভেনেজুয়েলার তেল রফতানি হ্রাসের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে। এটি বিশ্বের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। ভেনেজুয়েলা এবং মার্কিন সরকারের মধ্যে এই উত্তেজনা কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।



