ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের সেন্ট্রাল ব্যাংক গোল্ড রিজার্ভ সার্ভে ২০২৫-এ জানায়, ৪৩ শতাংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোনার ভাণ্ডার বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত যে সোনার দাম ভবিষ্যতে বাড়তে পারে।
ফেডারেল রিজার্ভ নীতি সুদ কমাচ্ছে, যা সোনার দামকে উপকৃত করবে। ডিসেম্বর মাসেও নীতি সুদহার কমানো হয়েছে। বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, ২০২৬ সালে আরও ৭৫ ভিত্তি পয়েন্ট হারে নীতি সুদহার কমানো হতে পারে।
বিনিয়োগকারীরা সোনার দিকে ঝুঁকে পড়ার যেসব কারণ অতীতে ছিল, সেগুলো এখনও আছে। ভূ-রাজনীতিতে যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম খুঁজছেন। সেই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে বাণিজ্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন, তাতে বিনিয়োগকারীরা ডলারভিত্তিক বন্ডের চেয়ে সোনায় বিনিয়োগ করা নিরাপদ মনে করছেন।
সোনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর দাম সাধারণত কমে না। গোল্ড প্রাইস ডট অর্গের তথ্যানুসারে, গত ২০ বছরে সোনার দাম বেড়েছে ৭১৮ শতাংশ। গত পাঁচ বছরে বেড়েছে ১৩৪ শতাংশ; এক বছরে ৬১.৬৪ শতাংশ।
এই প্রবণতা থেকে বোঝা যায় যে সোনার দাম ভবিষ্যতে বাড়তে পারে। বিনিয়োগকারীরা সোনায় বিনিয়োগ করা নিরাপদ মনে করছেন। তাই, ২০২৬ সালে সোনার দাম ৪,৯০০ ডলারে উঠতে পারে।
এই খবরটি বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তারা সোনায় বিনিয়োগ করার আগে এই খবরটি পড়ে নেওয়া উচিত। সোনার দাম বাড়লে তাদের বিনিয়োগ লাভজনক হবে।
সোনার দাম বাড়ার কারণে অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়বে। সোনার দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতি কমবে। এটি অর্থনীতির জন্য ভালো হবে।
অবশেষে, সোনার দাম ২০২৬ সালে ৪,৯০০ ডলারে উঠতে পারে। এটি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি ভালো সুযোগ। তারা সোনায় বিনিয়োগ করে লাভজনক হতে পারেন।



