পুষ্প ২ – দ্য রুল ছবিটি ২০২৪ সালের সবচেয়ে বড় ব্লকবাস্টার ছবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এই ছবিতে অল্লু অর্জুনের চরিত্রটি একটি নাটকীয় প্রবেশ করেছিল জাপানের একটি বন্দরে, একটি কন্টেইনারের ভিতরে লুকিয়ে। এক বছরেরও বেশি সময় পরে, অল্লু অর্জুন আবার জাপানে যাচ্ছেন, এবার আইনগতভাবে, ছবিটির জাপানি মুক্তির আগে প্রচারের জন্য।
এই মাসের শুরুতে, পুষ্প ২ – দ্য রুল ছবিটি ১৬ই জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জাপানে মুক্তি পাবে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। জিক পিকচার্স ঘোষণা করেছে যে তারা শোচিকুর সাথে মিলে ছবিটি জাপানে মুক্তি দেবে। পুষ্প কুনরিন নামের একটি বিশেষ পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে অল্লু অর্জুনকে তার ট্রেডমার্ক ফ্ল্যামবয়েন্ট অভিনয়ে দেখা যাচ্ছে। জাপানি ভাষার ট্রেইলারটিও ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে।
অল্লু অর্জুনের ভক্তরা জানতে উত্সুক যে তিনি জাপানে পুষ্প ২ এর প্রচারের জন্য যাচ্ছেন কিনা। একজন ভক্ত টুইটারে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে অল্লু অর্জুন জাপানে প্রচারের জন্য যাচ্ছেন কিনা এবং তার ম্যানেজার সরথ চন্দ্র নায়ডুর সাথে কথা বলতে পারবেন কিনা। সরথ চন্দ্র নায়ডু উত্তর দিয়েছেন, হ্যাঁ, তিনি যাচ্ছেন।
পুষ্প ২ – দ্য রুল ছবিটি ভারত ও বিশ্বব্যাপী ২০০ মিনিটের সংস্করণে মুক্তি পেয়েছিল। এক মাস পরে, ছবিটি সর্বোচ্চ ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করার পর, নির্মাতারা ২২২ মিনিটের একটি বিস্তৃত সংস্করণ মুক্তি দিয়েছেন। জিক পিকচার্সের তথ্য অনুসারে, এই বিস্তৃত সংস্করণটি জাপানে মুক্তি পাবে।
অল্লু অর্জুনের জাপান সফর তার ভক্তদের জন্য একটি উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা। তার ভক্তরা জানতে চাইছেন যে তিনি জাপানে কীভাবে প্রচার করবেন এবং কীভাবে তার ছবি জাপানি দর্শকদের কাছে পৌঁছাবে।
পুষ্প ২ – দ্য রুল ছবিটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় যোগ করেছে। এই ছবিটি ভারতীয় দর্শকদের কাছে একটি নতুন ধারা নিয়ে এসেছে এবং জাপানি দর্শকদের কাছেও এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।
অল্লু অর্জুনের জাপান সফর একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হতে চলেছে। তিনি জাপানে তার ছবির প্রচার করবেন এবং জাপানি দর্শকদের সাথে মিথস্ক্রিয়া করবেন। এটি ভারতীয় সিনেমার জন্য একটি নতুন দিক খুলে দেবে এবং জাপানি দর্শকদের জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।
পুষ্প ২ – দ্য রুল ছবিটি জাপানে মুক্তি পাবে ১৬ই জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে। অল্লু অর্জুনের ভক্তরা জানতে উত্সুক যে তিনি জাপানে কীভাবে প্রচার করবেন এবং কীভাবে তার ছবি জাপানি দর্শকদের কাছে পৌঁছাবে। এই ছবিটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় যোগ করেছে এবং জাপানি দর্শকদের জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।



