থাইল্যান্ড ও ক্যাম্বোডিয়ার মধ্যে চলমান সংঘর্ষের অবসান ঘটিয়ে উভয় দেশ আবার যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি সামাজিক মিডিয়া পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল এবং ক্যাম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেটের সাথে ট্রাম্পের কথোপকথনের পর এই চুক্তি স্থাপিত হয়েছে। ট্রাম্প তার পোস্টে জানিয়েছেন, উভয় দেশ শুক্রবার থেকে সকল ধরনের গোলাবর্ষণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন নিহত এবং উভয় পক্ষের প্রায় অর্ধ মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জুলাই মাসে মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় এবং ট্রাম্পের চাপের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে প্রথম যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
তবে, নভেম্বর মাসে থাইল্যান্ড এই চুক্তি স্থগিত করে দেয়, যার কারণ ছিল সীমান্তে থাই সৈনিকদের মাইনে আক্রান্ত হওয়া। উভয় দেশ একে অপরের উপর সহিংসতা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ এনেছে।
সর্বশেষ সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটেছে যখন ক্যাম্বোডিয়ান সৈন্যরা একটি থাই প্রকৌশল দলের উপর গুলি চালায়। এই সংঘর্ষ পঞ্চম দিনে পড়েছে, যার মধ্যে থাইল্যান্ড সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বায়ু হামলা বাড়িয়েছে।
থাইল্যান্ড ও ক্যাম্বোডিয়া উভয় দেশই এখনও পর্যন্ত এই নতুন চুক্তি সম্পর্কে কোনো স্বাধীন নিশ্চিতকরণ দেয়নি। তবে, দিনের শুরুতে, প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল জানিয়েছেন যে তিনি ট্রাম্পকে বলেছেন যে সহিংসতা বন্ধ করার দায়িত্ব ক্যাম্বোডিয়ার উপর।
চার্নভিরাকুল আরও বলেছেন, ট্রাম্প তার সাথে কথা বলার সময় যুদ্ধবিরতির সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি তাকে বলেছি যে তাকে আমাদের বন্ধুকে বলতে হবে।’ তিনি ক্যাম্বোডিয়ার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।
‘এটা ঘোষণা করা দরকার যে ক্যাম্বোডিয়া যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে,’ চার্নভিরাকুল বলেছেন।
এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থাইল্যান্ড ও ক্যাম্বোডিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে শান্তি পুনর্যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
এই সংঘর্ষের কারণে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে আবার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থাইল্যান্ড ও ক্যাম্বোডিয়ার মধ্যে আবার শান্তি পুনর্যাত্রা শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে শান্তি পুনর্যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থাইল্যান্ড ও ক্যাম্বোডিয়ার মধ্যে আবার সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে আবার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে শান্তি পুনর্যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়



