বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী রোজেন ঝেলিয়াজকভ পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘোষণা এসেছে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভের পর। বিক্ষোভকারীরা অর্থনৈতিক নীতি এবং দুর্নীতি মোকাবেলায় সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ করছেন।
বৃহস্পতিবার, রোজেন ঝেলিয়াজকভ টেলিভিশনে এক বিবৃতিতে তার পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, তার সরকার ভেঙে দেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে তিনি বলেন, তার জোট বৈঠক করেছে এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছে।
বুলগেরিয়ার রাজধানীসহ দেশটির আরও কয়েক ডজন শহরে হাজার হাজার বুলগেরিয়ান সমাবেশ করেছে। সমাবেশে স্থানীয় দুর্নীতির প্রতি জনসাধারণের হতাশা এবং দুর্নীতি নির্মূল করতে সরকারগুলোর ব্যর্থতা নিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়।
বুলগেরিয়ান সংবিধানের অধীনে, সীমিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট এখন পার্লামেন্টের দলগুলোকে একটি নতুন সরকার গঠনের চেষ্টা করতে বলবেন। যদি তারা তা করতে অক্ষম হয়, তবে নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দেশ পরিচালনার জন্য তিনি একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন গঠন করবেন।
রোজেন ঝেলিয়াজকভ বলেন, তার আকাঙ্ক্ষা হলো, সমাজ যে স্তর প্রত্যাশা করে, সেই স্তরে থাকা। জনগণের কণ্ঠস্বর থেকেই ক্ষমতার উৎপত্তি হয়। তিনি আরও বলেন, তার সরকার ভেঙে দেওয়া হবে এবং একটি নতুন সরকার গঠনের চেষ্টা করা হবে।
বুলগেরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন অনিশ্চিত। নতুন সরকার গঠনের চেষ্টা করা হবে, কিন্তু এটি কতটা সফল হবে তা এখনও অস্পষ্ট। বুলগেরিয়ান জনগণ এখন অপেক্ষা করছে যে তাদের দেশের ভবিষ্যত কেমন হবে।
বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী রোজেন ঝেলিয়াজকভের পদত্যাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি বুলগেরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। বুলগেরিয়ান জনগণ এখন অপেক্ষা করছে যে তাদের দেশের ভবিষ্যত কেমন হবে।



