আইসল্যান্ডের পরিচালক হলিনুর পালমাসনের ‘দ্য লাভ দ্যাট রিমেইনস’ চলচ্চিত্রটি অস্কারের সেরা আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম বিভাগে আইসল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করবে। এটি হলিনুর পালমাসনের তৃতীয় চলচ্চিত্র যা অস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।
এই চলচ্চিত্রটি একটি পরিবারের জীবনের এক বছরের গল্প বলে, যেখানে পিতামাতা তাদের আলাদা হওয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। চলচ্চিত্রটির কাস্টে রয়েছেন সাগা গার্ডারসডটির, সভেরির গুডনাসন, ইডা মেকিন হলিনসডটির, থরগিলস হলিনসন, গ্রিমুর হলিনসন, ইঙ্গভার সিগুর্ডসন এবং অ্যান্ডারস মসলিং। চলচ্চিত্রটি কান চলচ্চিত্র উত্সবে প্রিমিয়ার হয়েছে।
আইসল্যান্ডের অস্কার নির্বাচন কমিটি চলচ্চিত্রটিকে ‘প্রকৃতি, পরিবার এবং ভালবাসার একটি স্তব’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। চলচ্চিত্রটির নির্মাতা অ্যান্টন মানি সভানসন এবং ক্যাটরিন পরস। চলচ্চিত্রটির আন্তর্জাতিক বিতরণ করছে নিউ ইউরোপ ফিল্ম সেলস।
পরিচালক আরি অ্যাস্টার চলচ্চিত্রটির প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি চলচ্চিত্রটি দেখে খুব মুগ্ধ হয়েছি।’ তিনি হলিনুর পালমাসনের সাথে একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার করেছেন, যেখানে তারা চলচ্চিত্রটি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
চলচ্চিত্রটি আইসল্যান্ডের সংস্কৃতি এবং প্রকৃতির একটি সুন্দর চিত্র তুলে ধরেছে। চলচ্চিত্রটির দৃশ্যগুলি খুব সুন্দর এবং মানসম্পন্ন। চলচ্চিত্রটি দেখে দর্শকরা আইসল্যান্ডের সৌন্দর্য এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবেন।
চলচ্চিত্রটি একটি পরিবারের জীবনের গল্প বলে, যেখানে পিতামাতা তাদের আলাদা হওয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। চলচ্চিত্রটি পরিবারের মধ্যে ভালবাসা এবং সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। চলচ্চিত্রটি দেখে দর্শকরা পরিবারের মধ্যে ভালবাসা এবং সম্পর্কের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারবেন।
চলচ্চিত্রটি আইসল্যান্ডের সংস্কৃতি এবং প্রকৃতির একটি সুন্দর চিত্র তুলে ধরেছে। চলচ্চিত্রটির দৃশ্যগুলি খুব সুন্দর এবং মানসম্পন্ন। চলচ্চিত্রটি দেখে দর্শকরা আইসল্যান্ডের সৌন্দর্য এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবেন।
চলচ্চিত্রটি একটি পরিবারের জীবনের গল্প বলে, যেখানে পিতামাতা তাদের আলাদা হওয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। চলচ্চিত্রটি পরিবারের মধ্যে ভালবাসা এবং সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। চলচ্চিত্রটি দেখে দর্শকরা পরিবারের মধ্যে ভালবাসা এবং সম্পর্কের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারবেন।
চলচ্চিত্রটি আইসল্যান্ডের সংস্কৃতি এবং প্রকৃতির একটি সুন্দর চিত্র তুলে ধরেছে। চলচ্চিত্রটির দৃশ্যগুলি খুব সুন্দর এবং মানসম্পন্ন। চলচ্চিত্রটি দেখে দর্শকরা আইসল্যান্ডের সৌন্দর্য এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবেন।
চলচ্চিত্রটি একটি পরিবারের জীবনের গল্প বলে, যেখানে পিতামাতা তাদের আলাদা হওয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। চলচ্চিত্রটি পরিবারের মধ্যে ভালবাসা এবং সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। চলচ্চিত্রটি দেখে দর্শকরা পরিবারের মধ্যে ভালবাসা এবং সম্পর্কের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারবেন।
চলচ্চিত্রটি আইসল্যান্ডের সংস্কৃতি এবং প্রকৃতির একটি স



