বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আগামী ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর তার পদ থেকে সরে যেতে চান। তিনি বলেছেন, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে তিনি অপমানবোধ করছেন।
রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। এর বাইরে পদটি মূলত আনুষ্ঠানিক। দেশের কার্যনির্বাহী ক্ষমতা থাকে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার হাতে।
সাহাবুদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করবেন। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছে বলেই তিনি এ অবস্থানে আছেন।
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে চলে যাওয়ার পর সাহাবুদ্দিনের অবস্থান গুরুত্ব পায়। সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর সাহাবুদ্দিনই ছিলেন দেশের শেষ সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ।
৭৫ বছর বয়সী সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
সাহাবুদ্দিন বলেছেন, তিনি বিদায় নিতে আগ্রহী। তিনি এখান থেকে চলে যেতে চান। তিনি আরও বলেছেন, নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন। কেউ কেউ মনে করছেন, সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ভালো হতে পারে।
অন্যদিকে, কেউ কেউ মনে করছেন, সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এই বিষয়ে আরও ঘটনা ঘটতে পারে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক দলগুলো কেমন প্রতিক্রিয়া জানাবে তা নিয়ে অনেকেই আগ্রহী। কেউ কেউ মনে করছেন, সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটা নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করতে পারে।
অন্যদিকে, কেউ কেউ মনে করছেন, সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আরও বিভক্তি সৃষ্টি করতে পারে। এই বিষয়ে আরও ঘটনা ঘটতে পারে।
সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের ঘটনা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটা নতুন মোড় ঘটাতে পারে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক দলগুলো কেমন প্রতিক্রিয়া জানাবে তা নিয়ে অনেকেই আগ্রহী।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন। কেউ কেউ মনে করছেন, সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ভালো হতে পারে।
অন্যদিকে, কেউ কেউ মনে করছেন, সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এই বিষয়ে আরও ঘটনা ঘটতে পারে।



