মেক্সিকো সরকার চীন ও ভারতসহ কয়েকটি দেশের পণ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কারোপ করেছে। এই সিদ্ধান্তটি ১০ ডিসেম্বর সিনেটে পাস হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম বলেছেন, দেশের স্থানীয় উৎপাদনকে শক্তিশালী করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, নতুন শুল্ক চীনসহ বাণিজ্য অংশীদারদের স্বার্থকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তিনি জানিয়েছেন, মেক্সিকোর বাণিজ্য নীতি নিয়ে একটি তদন্ত চলছে এবং দেশটিকে সিদ্ধান্ত সংশোধনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই সপ্তাহে চীন জানিয়েছে, তারা লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায়— বাণিজ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পর্ক গভীর করার লক্ষ্যে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনা কোম্পানিগুলো মেক্সিকোতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। বিওয়াইডি ও এমজি’র মতো গাড়ি ব্র্যান্ড এরই মধ্যে দেশটিতে কার্যক্রম চালাচ্ছে।
এটি রিও গ্রান্ডের উপনদীগুলোর পানি বণ্টনসংক্রান্ত ৮০ বছরের পুরোনো এক চুক্তির কথা উল্লেখ করে বলা হয়, যেটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, মেক্সিকো শর্ত পূরণ করছে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে মেক্সিকোর স্থানীয় উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে, এটি চীন ও অন্যান্য দেশের সাথে মেক্সিকোর বাণিজ্য সম্পর্কের উপর কী প্রভাব পড়বে তা এখনও অস্পষ্ট।
মেক্সিকোর এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে চীনা পণ্যের দাম বাড়তে পারে। এটি চীনের অর্থনীতিকেও প্রভাবিত করবে। মেক্সিকোর সিদ্ধান্তের ফলে চীন ও মেক্সিকোর মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হতে পারে। এই বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে উভয় দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
মেক্সিকোর এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে অন্যান্য দেশের পণ্যের দামও বাড়তে পারে। এটি বিশ্ববাজারে মুদ্রাস্ফীতি বাড়াতে পারে। মেক্সিকোর সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা বাড়তে পারে। এই অস্থিতিশীলতার ফলে বিশ্ববাজারে অর্থনৈতিক মন্দার সম্ভাবনা বাড়তে পারে।
মেক্সিকোর এই সিদ্ধান্তের ফলে চীন ও মেক্সিকোর মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্কও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই সিদ্ধান্তের ফলে চীন ও মেক্সিকোর মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা হ্রাস পেতে পারে। এটি চীন ও মেক্সিকোর মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
মেক্সিকোর এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে অন্যান্য দেশও তাদের বাণিজ্য নীতি পরিবর্তন করতে পারে। এটি বিশ্ববাজারে বাণিজ্য যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটাতে পারে। এই বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে বিশ্ববাজারে অর্থনৈতিক মন্দার সম্ভাবনা বাড়তে পারে।
মেক্সিকোর এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা বাড়তে পারে। এটি বিশ্ববাজারে মুদ্রাস্ফীতি বাড়াতে পারে। এই মুদ্রাস্ফীতির ফলে বিশ্ববাজারে অর্থনৈতিক মন্দার সম্ভাবনা বাড়তে পারে। এই অর্থনৈতিক মন্দার ফলে বিশ্ববাজারে বেকারত্ব বাড়তে পারে। এটি বিশ্ববাজারে দারিদ্র্য বাড়াতে পারে।
মেক্সিকোর এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা বাড়



