বাংলাদেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জ্ঞান ও উদ্ভাবনের যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, তথ্য সংগঠন, জ্ঞান সংরক্ষণ, তথ্য পুনরুদ্ধার এবং ব্যবহার-সকল ক্ষেত্রেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক প্রযুক্তির সঠিক এবং ইতিবাচক প্রয়োগ লাইব্রেরিগুলোকে আরও আধুনিক, দক্ষ এবং ব্যবহারকারী-বান্ধব করে তুলতে পারে।
বাংলাদেশ গ্রন্থাগার সমিতি (ল্যাব)-এর ৭০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর ‘ল্যাব ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন রিইমাজিনিং লাইব্রেরিয়ানশীপ : ফরজিং দ্য ফিউচার উইথ অল টেকনোলজিস’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে দেশের লাইব্রেরি পেশাজীবীদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করা হবে।
ল্যাব গত সাত দশক ধরে দেশের গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান পেশার উন্নয়নে যে নিরলস ভূমিকা পালন করছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্যসমৃদ্ধ, প্রযুক্তিনির্ভর এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে এই সম্মেলন নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ গ্রন্থাগার সমিতি আয়োজিত সম্মেলনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ গ্রন্থাগার সমিতি (ল্যাব) একটি প্রাসঙ্গিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ নিয়েছে, যা দেশের লাইব্রেরি পেশাজীবীদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করছে।
শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য এই সম্মেলন একটি অনন্য সুযোগ হবে। তারা এখানে নতুন ধারণা, নতুন প্রযুক্তি এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
সুতরাং, আমরা সবাই এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করি এবং নতুন ধারণা, নতুন প্রযুক্তি এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করি। আমরা আশা করি এই সম্মেলন দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।



