বাংলাদেশের সাবেক মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক জাহানারা আলম বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তদন্ত কমিটিতে তার লিখিত বিবৃতি জমা দিয়েছেন। এটি তার যৌন হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে সর্বশেষ উন্নয়ন।
জাহানারার আইনজীবী দল থেকে প্রকাশিত একটি প্রেস রিলিজে বলা হয়েছে, তিনি ৪ঠা ডিসেম্বর তার বিবৃতি জমা দিয়েছেন। এর আগে, তিনি তার বিবৃতি জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছিলেন।
তদন্ত কমিটি প্রাথমিকভাবে ১৫ দিনের মধ্যে তাদের খুঁজতা জমা দেওয়ার কথা ছিল, যা গত মাসে শেষ হয়ে গেছে। জাহানারার অনুরোধের পর, তাকে ২০শে ডিসেম্বর পর্যন্ত তার বিবৃতি জমা দেওয়ার সময় দেওয়া হয়েছিল।
প্রেস রিলিজে আরও বলা হয়েছে, তার বিবৃতির বিষয়বস্তু জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করা হবে না, কারণ এটি খুবই সংবেদনশীল এবং গোপনীয়।
জাহানারা, যার বয়স ৩২, বর্তমানে মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে ক্রিকেট থেকে বিরতি নিয়েছেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। ৬ই নভেম্বর, তিনি একটি ইউটিউব চ্যানেলে বিস্তারিত অভিযোগ করেছেন, যেখানে তিনি সাবেক মহিলা দলের ম্যানেজার এবং সেলেক্টর মানজুরুল ইসলাম এবং বিসিবির মহিলা বিভাগের সাবেক দায়িত্বশীল তৌহিদ মাহমুদকে অভিযুক্ত করেছেন যৌন হয়রানির জন্য।
কয়েকদিন আগে, তিনি একটি জাতীয় দৈনিকে দলের মধ্যে গোষ্ঠীবদ্ধতা, পক্ষপাতিত্ব এবং অপব্যবহারের বিষয়ে কথা বলেছিলেন, যদিও তার পরবর্তী অভিযোগগুলি অনেক বেশি গুরুতর ছিল।
জাহানারা আরও বলেছেন, তিনি ২০২২ সালে বিসিবির সিইও নিজামুদ্দিন চৌধুরীকে অভিযুক্ত হয়রানির একটি বিস্তারিত লিখিত বিবৃতি দিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
৮ই নভেম্বর, বিসিবি একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সাবেক অধিনায়কের অভিযোগ তদন্ত করার জন্য।
জাহানারা আলমের এই লিখিত বিবৃতি জমা দেওয়ার ঘটনাটি বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে, বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড এবং সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি মানবাধিকার সংগঠন এবং নারী অধিকার সংগঠনগুলোর চাপ বাড়ছে।
তারা দাবি করছে, জাহানারা আলমের অভিযোগের তদন্ত করা উচিত এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়া উচিত।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।
এখন, সবাই তদন্ত কমিটির রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে।
তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশিত হলে, বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।
জাহানারা আলমের এই লিখিত বিবৃতি জমা দেওয়ার ঘটনাটি বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে, বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড এবং সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি মানবাধিকার সংগঠন এবং নারী অধিকার সংগঠনগুলোর চাপ বাড়ছে।
তারা দাবি করছে, জাহানারা আলমের অভিযোগের তদন্ত করা উচিত এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়া উচিত।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে একটি নত



