নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, আদালতের রায়গুলো নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তিনি বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ উদ্বেগের কথা জানান।
নির্বাচন কমিশনের সীমানা নির্ধারণের ক্ষমতা আদালতের রায়ের মাধ্যমে প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থায় রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। আরপিও অনুযায়ী সীমানা নিয়ে আদলতে মামলা করা যায় না, আদালতকে এ বিষয় জানিয়েছেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আদালতের অধিক্ষেত্র সম্পর্কে বলার এখতিয়ার তার নেই।
জাতীয় সংসদের নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ আইনের ৭ ধারায় কমিশনের কার্যধারা সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপনে বিধি-নিষেধের কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, এই আইনের অধীন কৃত সীমানা নির্ধারণ বা কোনো আঞ্চলিক নির্বাচনি এলাকার গঠন, বা কমিশন কর্তৃক বা কমিশনের কর্তৃত্বাধীনে গৃহীত কোনো কার্যধারা বা কৃত কোনো কাজকর্মের বৈধতা সম্পর্কে কোনো আদালতে বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
ফরিদপুর–৪ আসনের আওতায় আলগী হাবি ইউনিয়ন যুক্ত করা সম্পর্কিত গেজেট সাময়িকভাবে বাতিল হওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘আমি এখানে আসার আগেই বিষয়টি কানে এসেছে। অর্ডার পাওয়ার পর কমিশন আলোচনায় বসবে। আদালতের স্বাধীনতা নিয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করি না।’
গাজীপুর ও বাগেরহাট আসনের বিষয়ে সচিব বলেন, আদালতের আদেশ সংশোধন করা হচ্ছে। সময় হলে গেজেট প্রকাশ করা হবে। ৩০০ আসনে তফসিল ঘোষণা করা হবে।
সচিব বলেন, নির্বাচন কাজে নিয়োজিতদের পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান নিবন্ধন শুরু করতে পারবেন আগামী ১৬ বা ১৭ ডিসেম্বর থেকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যারা সরাসরি নির্বাচনের কাজে যুক্ত থাকবেন, তাদের আরও কিছুটা সময় লাগবে।
এছাড়াও কারাগারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা ২১ থেকে ২৫ ব্যক্তিদের নিবন্ধন করা হবে।
কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, পোস্টাল ব্যালটের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হবে শীঘ্রই। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। নির্বাচন কমিশনের কাজ চলছে সময়মতো।



