ঢাকার একটি আদালত সাংবাদিক ও জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শৌকত মাহমুদকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে। তাকে সন্ত্রাসবাদ মামলায় আসামি করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর হাকিম ফাহমিদা খন্দকার আন্না এই আদেশ দেন। ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ পুলিশ তাকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল। শৌকত মাহমুদ ৭ ডিসেম্বর তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার হন। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি।
একটি সন্ত্রাসবাদ মামলায় শৌকত মাহমুদকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলাটি ১৪ সেপ্টেম্বর রামনা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আজিজুল হকিম কর্তৃক দায়ের করা হয়েছিল। এই মামলায় ৫৫ বছর বয়সী এনায়েত করিম চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে। তিনি একজন মার্কিন নাগরিক এবং বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।
এনায়েত করিম চৌধুরী ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিন্টো রোডে গ্রেফতার হন। পরে তাকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় এবং জেলে পাঠানো হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এনায়েত করিম চৌধুরী স্বীকার করেন যে তিনি একটি বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে বাংলাদেশে এসেছেন। তার লক্ষ্য ছিল বর্তমান অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করা।
শৌকত মাহমুদের গ্রেফতার এবং রিমান্ডে পাঠানোর ঘটনাটি দেশের সাংবাদিক সমাজে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তারা এই গ্রেফতারকে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা হরণের একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
এই মামলার পরবর্তী আদালত পর্যায় কী হবে তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে এটা নিশ্চিত যে শৌকত মাহমুদের গ্রেফতার এবং রিমান্ডে পাঠানোর ঘটনাটি দেশের সাংবাদিক সমাজের জন্য একটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এই ঘটনাটি সাংবাদিকদের স্বাধীনতা হরণের একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে সরকারকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে।
শৌকত মাহমুদের গ্রেফতার ও রিমান্ডে পাঠানোর ঘটনাটি দেশের গণমাধ্যমে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সাংবাদিক সমাজ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা শৌকত মাহমুদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করছেন।
এই ঘটনাটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষুন্ন করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারকে এই বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।



