ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অন্যতম কুশীলব। ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম এই অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের একাংশ ও শিক্ষক সংগঠনের একটি পক্ষ সাবেক ভিসিকে বাঁচাতে তৎপর।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কাছে জবানবন্দি দিতে এসে সাদিক কায়েম এই অভিযোগ করেন। এদিন ওবায়দুল কাদের ও বাহাউদ্দিন নাসিমের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দেন সাদিক কায়েম।
মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ ও সিনেট সদস্য আসিফ আব্দুল্লাহ মাকসুদ কামালের বিরুদ্ধে জবানবন্দি রেকর্ড করান। তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে জবানবন্দি শেষে মোসাদ্দিক আলী বলেন, তাঁরা দুইটা বিষয়ে জবানবন্দি দিতে এসেছেন। মাকসুদ কামালের যে মামলাটা, সেটাতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
সাদিক কায়েম বলেন, মাকসুদ কামাল ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অন্যতম কুশীলব। তাঁকে বিভিন্নভাবে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরানোর জন্য তাঁর বিচার এ দেশেই হবে। হত্যাযজ্ঞের সব প্রমাণ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে।
ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ মাহমুদের দেশত্যাগ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন মোসাদ্দিক আলী। গ্রেফতারের খবর গণমাধ্যমে আসার পরও রিয়াজ কীভাবে লন্ডনে পাড়ি জমালেন, তা সন্দেহজনক। এ সময় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই ছাত্রনেতা।
জুলাইয়ের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, ১৯ থেকে ২৩ জুলাই দেশে গণহত্যা ও শিশু হত্যা সংঘটিত হয়। শেখ হাসিনার নির্দেশে ওবায়দুল কাদের, বাহাউদ্দিন নাসিম ও তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এতে জড়িত ছিল। ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং পুলিশ-র্যাবের সংশ্লিষ্টদেরও দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
এই মামলার পরবর্তী আদালত পরিস্থিতি খুব শীঘ্রই জানা যাবে। এই ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছেন সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, এই মামলার সকল প্রমাণ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছেন সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, এই মামলার সকল প্রমাণ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছেন সাদিক কায়েম।



