সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ১৫তম সংশোধনী মামলার শুনানি ৫ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি করেছে। এটি এই মামলার শুনানির ষষ্ঠ দিন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে একটি ছয় সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই মামলার শুনানি করছে।
আজকের শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান সুপ্রিম কোর্টে বলেছেন যে ১৫তম সংশোধনীর কিছু বিষয় সংসদে ছেড়ে দেওয়া উচিত। প্রধান বিচারপতি বলেছেন যে নির্বাচনের পরে গঠিত নতুন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই মামলার শুনানি করবে।
১৫তম সংশোধনীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। এই সংশোধনীতে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে বজায় রাখা হয়েছে। সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ যোগ করা হয়েছে। সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ৯০ দিন আগে অনুষ্ঠিত হবে এবং যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালকে আরও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
চারজন নাগরিক – বদিউল আলম মজুমদার, এম হাফিজউদ্দিন খান, মোঃ জবিরুল হক ভূইয়া এবং জাহরাহ রহমান – ১৫তম সংশোধনীর বিরুদ্ধে প্রথম আপিল করেছেন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোফাজ্জল হোসেনও এই সংশোধনীর বিরুদ্ধে আলাদা আপিল করেছেন।
রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে এই সিদ্ধান্তের তাৎপর্য অনেক। এই মামলার শুনানি শেষে সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়েও অনেকের চোখ রয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্যকে প্রভাবিত করবে। এই মামলার শুনানি শেষে সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়েও অনেকের চোখ রয়েছে।
এই মামলার শুনানি অব্যাহত রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্যকে প্রভাবিত করবে। এই মামলার শুনানি শেষে সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।



