মহান বিজয় দিবস-২০২৫ উদযাপনের জন্য সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে, আগামী ১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্মৃতিসৌধ এলাকার অভ্যন্তরে সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ থাকবে।
এছাড়া, ১৬ ডিসেম্বর প্রত্যুষে ভিভিআইপি ও ভিআইপিরা কর্তৃক পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা স্মৃতিসৌধ ত্যাগ না করা পর্যন্ত, জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশ সকাল ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে জানানো হয়, দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে ঢাকার গাবতলী থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত সড়কে কোনো ধরনের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো যাবে না।
তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, ওই দিন সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগানের কোনোরূপ ক্ষতি না করার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য সরকার বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। এই প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, সড়কে পোস্টার ও ব্যানার লাগানো নিষিদ্ধ করা এবং স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগানের ক্ষতি না করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো।
এই প্রস্তুতি থেকে বোঝা যায় যে, সরকার মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য গুরুত্ব দিচ্ছে। এই দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
সরকারের এই প্রস্তুতি থেকে বোঝা যায় যে, তারা মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য জনগণের সাথে একত্রিত হতে চায়। এই দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য সরকারের এই প্রস্তুতি থেকে বোঝা যায় যে, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসকে সম্মান করতে চায়। এই দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য সরকারের এই প্রস্তুতি থেকে বোঝা যায় যে, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনাকে জাগ্রত রাখতে চায়। এই দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য সরকারের এই প্রস্তুতি থেকে বোঝা যায় যে, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসকে সম্মান করতে চায় এবং জনগণের সাথে একত্রিত হতে চায়।
সরকারের এই প্রস্তুতি থেকে বোঝা যায় যে, তারা মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনাকে জাগ্রত রাখতে চায়।
মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য সরকারের এই প্রস্তুতি থেকে বোঝা যায় যে, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসকে সম্মান করতে চায় এবং জনগণের সাথে একত্রিত হতে চায়।
সরকারের এই প্রস্তুতি থেকে বোঝা যায় যে, তারা মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনাকে জাগ্রত রাখতে চায়।
মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য সরকারের এই প



