যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র র্যান্ডি ফাইন ফিলিস্তিনি জনগণকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার কথা বলেছেন। তিনি দম্ভ করে আরও বলেছেন, এ জন্য তাকে ইসলামবিদ্বেষী বলা হলেও তিনি পরোয়া করেন না।
ফাইন এর আগেও অনেকবার ইসলামবিদ্বেষী ও ফিলিস্তিনবিরোধী মন্তব্য করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জায়নবাদী সংগঠনের প্রেসিডেন্ট মর্টন ক্লেইনকে প্রশ্ন করে, ইসরায়েল রাষ্ট্রের ধ্বংস কামনা করে এমন মানুষদের মুখোমুখি হলে কীভাবে শান্তি আনা যায়।
ক্লেইন বলেন, ইসলামের একটি সংস্কারের ভেতর দিয়ে যাওয়া এবং ইসরায়েলকে একটি ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে মেনে নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এ নিয়ে কেউ কথা বলতে চায় না, কারণ ইসলামবিদ্বেষী হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার ভয় পায়।
ফাইন আরও বলেন, যারা ইসরায়েল রাষ্ট্রের ধ্বংস কামনা করে, তাদের সঙ্গে কীভাবে শান্তিতে আসা যায়—তিনি জানেন না। তার মনে হয়, তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া উচিত।
যদিও ফিলিস্তিনিদের এই ভূখণ্ডটির নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলি সেনাদের হাতে, তবুও ইসরায়েলি বাহিনীর সুরক্ষায় থেকে সশস্ত্র ইহুদি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরাই বরং ফিলিস্তিনি গ্রামগুলো দখল ও লুটপাট করে। চলতি বছরে অন্তত দুজন মার্কিন নাগরিক বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় নিহত হয়েছেন।
ফাইনের এই মন্তব্য ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ। এই সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু ফাইনের মন্তব্য এই প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলবে বলে মনে হচ্ছে।
ফাইনের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ফিলিস্তিনি নেতারা কঠোর ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, ফাইনের মন্তব্য ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতাকে উস্কে দেবে। তারা আরও বলেছেন, ফাইনের মন্তব্য ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করবে।
এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের উচিত ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করার জন্য সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করা। তাদের উচিত ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা করা এবং ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বন্ধ করা।
অবশেষে, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করার জন্য সকল পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। ফাইনের মন্তব্য এই প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলবে বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা উচিত। তাদের উচিত ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা করা এবং ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বন্ধ করা।



