রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনকে নিয়ে একটি পোস্ট ফেসবুকে শেয়ার করেছিলেন। পরে তিনি সেই পোস্টটি ডিলিট করে দেন।
এই ঘটনাটি ঘটেছে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার পর। শিক্ষক খন্দকার মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বেগম রোকেয়াকে ‘মুরতাদ-কাফির’ আখ্যা দিয়েছিলেন।
পরে তিনি আরেকটি পোস্ট দিয়ে জানান, তিনি তার আগের পোস্টটি ডিলিট করেছেন চাপের কারণে। তিনি বলেন, তার পরিবার ও তিনি নিজেই অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
শিক্ষক খন্দকার মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বলেন, তিনি ঈমান ভঙ্গের মূলনীতির উপর বিবৃতিটা দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, ফতোয়া দেওয়ার অধিকার আলেমদের, তার নয়।
এই ঘটনাটি শিক্ষা বিভাগে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই শিক্ষকের এই মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন।
শিক্ষা বিভাগে এই ধরনের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। অনেকেই বলছেন, শিক্ষকদের এই ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকা উচিত।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন হচ্ছে, শিক্ষা বিভাগে এই ধরনের ঘটনা কিভাবে রোধ করা যায়? শিক্ষকদের এই ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত রাখার জন্য কী করা যায়?



