ইসরায়েলের সরকার পশ্চিম তীরে নতুন ইহুদি বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ৭৬৪টি নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হবে।
ইসরায়েলের সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি চলমান থাকার মধ্যেই। এই সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিম তীরের রাজধানী রামাল্লার হাশমোনাইম এলাকায় ৪৭৮টি, বেইতার ইল্লিত এলাকায় ২৩০টি এবং গিভাত জেএভ এলাকায় ৫৬টি নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হবে।
ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের সংখ্যা আরও বাড়বে। ইতিমধ্যেই পশ্চিম তীরে প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার ইহুদি বসতি স্থাপনকারী বসবাস করছেন।
জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুসারে মধ্যপ্রাচ্যের আল-আকসা অঞ্চলে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন নামের দুটি পৃথক রাষ্ট্র হওয়ার কথা। কিন্তু ইসরায়েল প্রায় প্রতি বছর পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের সংখ্যা বাড়াতে থাকায় প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভূখণ্ড কমছে।
জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে এ ইস্যুতে বহুবার ইসরায়েলকে আপত্তি জানানো হয়েছে, কিন্তু ইসরায়েলের সরকার এসবে কর্ণপাত করছে না।
গত বছর জুলাই মাসে জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস এক রায়ে পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেম এলাকায় নতুন বাড়িঘর নির্মাণ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিলেন এবং ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি আলোচনা আরও কঠিন হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে আবারও আপত্তি জানানো হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আরও প্রচেষ্টা নেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছে।



