২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টের জন্য দলগুলো তাদের প্রস্তুতি শেষ করার জন্য ব্যস্ত।
বিশ্বকাপের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড এবং অন্যান্য দলগুলো তাদের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করার জন্য ব্যস্ত। ভারত দল ডিসেম্বর এবং জানুয়ারিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে দশটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে। এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড এবং অন্যান্য দলগুলোও তাদের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করার জন্য ব্যস্ত।
কিন্তু বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি অন্যদের থেকে আলাদা। বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপের আগে কোনো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে না। বাংলাদেশের শেষ আন্তর্জাতিক সিরিজ ছিল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে, যেখানে তারা ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল। বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এ হবে, যা ডিসেম্বর ২৬ তারিখে শুরু হবে।
বাংলাদেশের প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিপিএল প্রতিযোগিতামূলক হলেও, এটি আন্তর্জাতিক চাপ এবং ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যে অবস্থা থাকবে তা পুরোপুরি অনুকরণ করতে পারবে না। বাংলাদেশের ২০২৫ সালের রেকর্ড দেখলে দেখা যায়, তারা ৩০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে, যার মধ্যে ১৫টি জিতেছে। তবে, তাদের ফলাফল অস্থির ছিল। শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে হেরেছে এবং পাকিস্তানের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে।
বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিশ্বকাপের আগে তাদের প্রস্তুতি কীভাবে হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বাংলাদেশ দলকে বিশ্বকাপে ভালো ফলাফল করতে হলে তাদের প্রস্তুতি ভালো হতে হবে।
বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ দলকে প্রথম ম্যাচে ফেব্রুয়ারি ৭ তারিখে খেলতে হবে। বাংলাদেশ দলকে ভালো ফলাফল করতে হলে তাদের প্রস্তুতি ভালো হতে হবে।



