বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল শাড়ি বুননশিল্পকে ইউনেসকো অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই ঘটনাটি দেশের জন্য গর্বের একটি উপলক্ষ্য। কিন্তু এই উপলক্ষ্যটি আনার প্রক্রিয়া শুরুতেই আটকে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল।
ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার মোহাম্মদ তালহা টাঙ্গাইল শাড়ির বদলে গোপালগঞ্জের নৌকাশিল্পের অন্তর্ভুক্তি চেয়েছিলেন। তিনি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। এই চিঠিতে তিনি বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ির আবেদন ‘বৈদেশিক সম্পর্কে প্রভাব’ ফেলতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাষ্ট্রদূতের ওই ইচ্ছা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারকে খুশি করতেই গোপালগঞ্জের নৌকার বিষয়টি সামনে এনেছিলেন রাষ্ট্রদূত তালহা। এই ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বাংলাদেশের টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই পাশের দেশ ভারতের পাওয়ার প্রসঙ্গ ইঙ্গিত করে রাষ্ট্রদূত তালহা বলেন, শাড়ি নিয়ে আবেদন ‘বৈদেশিক সম্পর্কে প্রভাব’ ফেলতে পারে। এমন বিষয়ে জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষের পররাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট অন্যদের সঙ্গে আলোচনা না করাকে ‘রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬’-এর পরিপন্থী বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত তালহা।
ইউনেসকোতে জমা দেওয়া তিনটি নথির মধ্যে গোপালগঞ্জের নৌকা ছিল না। এই ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশের টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই পাশের দেশ ভারতের পাওয়ার প্রসঙ্গ ইঙ্গিত করে রাষ্ট্রদূত তালহা বলেন, শাড়ি নিয়ে আবেদন ‘বৈদেশিক সম্পর্কে প্রভাব’ ফেলতে পারে। এমন বিষয়ে জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষের পররাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট অন্যদের সঙ্গে আলোচনা না করাকে ‘রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬’-এর পরিপন্থী বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত তালহা।
এই ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



