মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুত ‘গোল্ড কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিনিয়োগের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসের সুযোগ মিলবে।
মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার এই পথে ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে হবে ১০ লাখ ডলার। তবে কোনো কোম্পানি মনোনীত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এর পরিমাণ হবে দ্বিগুণ। বুধবার হোয়াইট হাউসে ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ট্রাম্প এই কর্মসূচি চালু করেন।
এই কর্মসূচি ১৯৯০ দশকের ইবি-ফাইভ ভিসাকে প্রতিস্থাপন করবে। বিদেশি বিনিয়োগে উৎসাহ দিতে সেই ভিসা চালু করা হয়েছিল, যাতে ১০ লাখ ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে অন্তত ১০ জনের কর কর্মসংস্থানের শর্ত ছিল।
ট্রাম্প বলছেন, তার দেখানো মডেল বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি ‘শীর্ষ মেধাবীদের’ পাওয়ার পথ খুলে দেবে। আর মার্কিন ট্রেজারিতে আনবে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব।
বাণিজ্য মন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক বলেন, প্রতিটি আবেদনে ১৫ হাজার ডলারের যাচাইকরণ ফি থাকবে। তার ভাষ্য, ‘যাচাই প্রক্রিয়াই নিশ্চিত করবে যে ‘এই মানুষরা আমেরিকায় থাকার জন্য পুরোপুরি যোগ্য’।
কোম্পানিগুলো একাধিক কার্ড পেতে পারে, কিন্তু প্রতিটি কার্ডে কেবল একজনের নাম থাকবে। বর্তমান গ্রিন কার্ডধারীরা ‘গড় আমেরিকানদের তুলনায় কম আয় করে’ মন্তব্য করে লুটনিক বলেন, মার্কিন অভিবাসনকে ধনী এবং উচ্চ দক্ষতার প্রার্থীদের দিকে নিয়ে যেতে চান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
এই কর্মসূচির আওতায় পাওয়া সব অর্থ যাবে মার্কিন সরকারের কাছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আদতে এটি একটি গ্রিন কার্ড, তবে অনেক ভালো। অনেক বেশি শক্তিশালী, অনেক শক্তিশালী পথ খুলে দেবে’।
এই কর্মসূচি চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতির একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে মার্কিন সরকার ধনী এবং উচ্চ দক্ষতার প্রার্থীদের আকর্ষণ করতে চায়।
এই কর্মসূচির সাফল্য বা ব্যর্থতা মার্কিন অভিবাসন নীতির ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। এই কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে আমরা আপনাকে আমাদের পরবর্তী প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে বলব।



