19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিটেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ ২০২৫: জরুরি রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে মুঠোফোনে আড়িপাত

টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ ২০২৫: জরুরি রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে মুঠোফোনে আড়িপাত

টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ ২০২৫-এ জরুরি রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে মুঠোফোনে আড়িপাতের বিষয়ে নতুন একটি কারিগরি প্ল্যাটফর্ম গঠনের কথা বলা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে ‘কেন্দ্রীয় আইনানুগ ইন্টারসেপশন সাপোর্ট প্ল্যাটফর্ম’।

আড়িপাতের জন্য প্রথমে অনুমোদন পাওয়া সংস্থাকে এই প্ল্যাটফর্মে অনুরোধ জানাতে হবে। আদালত বা আধা বিচারিক কাউন্সিলের অনুমোদন পেলে তবেই সংশ্লিষ্ট সংস্থা আড়িপাতে পারবে।

কোনোভাবেই রাজনৈতিক কারণে দমনপীড়নের উদ্দেশ্যে কোনো সংস্থা আড়িপাতে পারবে না। আর আড়িপাতা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতি বছর এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের প্রস্তাবও অধ্যাদেশে করা হয়েছে।

অধ্যাদেশের চূড়ান্ত খসড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের জন্য খসড়াটি উঠতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

কারিগরি প্ল্যাটফর্মটির পরিচালনা পদ্ধতি, জনবল ও সাংগঠনিক কাঠামো ঠিক করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর আওতায় থাকবে টেলিযোগাযোগ সেবা, ভয়েস কল, বার্তা, ইন্টারনেট ট্রাফিক, সিগনালিং, কল ডিটেইল রেকর্ড, ইন্টারনেট প্রোটোকল ডেটা রেকর্ড, ডিজিটাল লেনদেনসংক্রান্ত তথ্যউপাত্ত।

দেশে মুঠোফোনে আড়িপাতার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ জানিয়ে আসছেন আইনজ্ঞসহ মানবাধিকারকর্মীরা। তাঁদের মতে, বেআইনি বা অন্যায়ভাবে কোনো ব্যক্তিগত বিষয়ে গোপনে অনুপ্রবেশ বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আড়িপাতা গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে ‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে’ আড়িপাতার প্রয়োজনীয়তার কথা বলে আসছে সরকার। আর এই আড়িপাতার অপব্যবহার রোধে প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের ৯৭-এর ৪ ধারায় বলা হয়েছে, জরুরি নয়—এমন ইন্টারসেপশন কার্যক্রম আধা বিচারিক কাউন্সিল বা আদালতের অনুমোদন ছাড়া শুরু করা যাবে না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এই কাউন্সিলের সভাপতি হবেন। তবে প্রস্তাব অনুযায়ী, নাগরিকের জীবনরক্ষা বা তাত্ক্ষণিক বিপদ হলে ‘সীমিত পরিসরে’ ইন্টারসেপশন শুরু করা যাবে। সে ক্ষেত্রে ইন্টারসেপশন শুরু করার ১৪ দিনের মধ্যে আধা বিচারিক কাউন্সিলের প্রত্যয়ন নিতে হবে। প্রত্যয়ন না পেলে সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারসেপশন কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন বলেন, ‘আইনানুগ ইন্টারসেপশন সাপোর্ট প্ল্যাটফর্ম গঠনের মাধ্যমে আড়িপাতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হবে।’

প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের বিধান অনুযায়ী, আড়িপাতা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতি বছর এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করতে হবে। এটি আড়িপাতার অপব্যবহার রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।

এই প্রস্তাবিত অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদে পাস হলে আড়িপাতা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভ

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments