বিয়ের জন্য টাকা জমানোর জন্য সোনালী ব্যাংকের একটি সঞ্চয় স্কিম রয়েছে। এই স্কিমের মেয়াদ ১০ বছর। মাসে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত এই সঞ্চয় করা যায়।
সোনালী ব্যাংকের এই স্কিমে সুদ পাওয়া যায় ৬.৫০ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে। মা-বাবার সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান অথবা নাবালক-নাবালিকা সন্তানের নামে এই হিসাব খোলা যায়। প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি এককভাবে এই হিসাব খুলতে পারবেন, তবে অবশ্যই নমিনি থাকতে হবে।
এই হিসাব বাংলাদেশের যেকোনো শাখায় খোলা যাবে এবং যেকোনো শাখায় টাকা জমা দেওয়া যাবে। গ্রাহক চাইলে হিসাব এক শাখা থেকে আরেক শাখায় স্থানান্তর করতে পারবেন। মাসের যেকোনো দিন এই কিস্তির অর্থ জমা করা যায়। নির্দিষ্ট তারিখ পেরিয়ে গেলে জরিমানা দিতে হবে, এমন বিষয় নেই।
সাধারণ হিসাব খোলার ফরমেই এই হিসাব খোলা যায়। ফরমের ডান দিকে ওপরের দিকে স্কিমের নাম ও কিস্তির পরিমাণ উল্লেখ করতে হয়। কিস্তির অঙ্ক কোনোভাবেই কাটাছেঁড়া করা যাবে না।
মেয়াদ শেষের আগে হিসাব বন্ধ করলে সাধারণ হিসাবের বেলায় যা হয়, এই হিসাবের বেলায়ও তাই হয়। হিসাব খোলার এক বছর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হিসাব বন্ধ হলে শুধু জমা হওয়া মূল টাকা ফেরত পাওয়া যায়। হিসাবের মেয়াদ এক বছরের বেশি কিন্তু তিন বছরের মধ্যে হলে ৪ শতাংশ হারে সরল সুদসহ জমা হওয়া টাকা ফেরত পাওয়া যায়।
সোনালী ব্যাংকের এই স্কিমটি বিয়ের জন্য টাকা জমানোর জন্য একটি ভালো বিকল্প। এই স্কিমে সুদ পাওয়া যায় এবং টাকা জমা করা যায় মাসে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এই স্কিমটি বাংলাদেশের যেকোনো শাখায় খোলা যাবে এবং যেকোনো শাখায় টাকা জমা দেওয়া যাবে।
সোনালী ব্যাংকের এই স্কিমটি বিয়ের জন্য টাকা জমানোর জন্য একটি ভালো বিকল্প। এই স্কিমে সুদ পাওয়া যায় এবং টাকা জমা করা যায় মাসে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এই স্কিমটি বাংলাদেশের যেকোনো শাখায় খোলা যাবে এবং যেকোনো শাখায় টাকা জমা দেওয়া যাবে।
সুতরাং, যদি আপনি বিয়ের জন্য টাকা জমানোর জন্য একটি ভালো বিকল্প খুঁজছেন, তাহলে সোনালী ব্যাংকের এই স্কিমটি একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। এই স্কিমে সুদ পাওয়া যায় এবং টাকা জমা করা যায় মাসে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এই স্কিমটি বাংলাদেশের যেকোনো শাখায় খোলা যাবে এবং যেকোনো শাখায় টাকা জমা দেওয়া যাবে।



