বাংলাদেশের অনেক শিশু সামাজিক মিডিয়া আসক্তিতে ভুগছে। এই আসক্তি তাদের পড়াশোনা ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
ঢাকার একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৮ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ সামাজিক মিডিয়া আসক্তিতে ভুগছে। এর মধ্যে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ গুরুতর আসক্তির শিকার।
সামাজিক মিডিয়া আসক্তির মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে সহজলভ্য ইন্টারনেট। কভিড-১৯ মহামারির পর থেকে বাংলাদেশে ইন্টারনেট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক মিডিয়া আসক্তি শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এটি তাদের পড়াশোনা ও সামাজিক দক্ষতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
অভিভাবকদের উচিত শিশুদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা। তাদের উচিত শিশুদের সামাজিক মিডিয়া আসক্তির বিষয়ে সচেতন করা এবং তাদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার সীমিত করা।
সামাজিক মিডিয়া আসক্তি একটি গুরুতর সমস্যা। এটি শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অভিভাবকদের উচিত শিশুদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাদের সামাজিক মিডিয়া আসক্তির বিষয়ে সচেতন করা।
সামাজিক মিডিয়া আসক্তি প্রতিরোধে সরকার ও সামাজিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের উচিত সামাজিক মিডিয়া আসক্তির বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং শিশুদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।
সামাজিক মিডিয়া আসক্তি প্রতিরোধে আমাদের সকলের ভূমিকা রয়েছে। আমাদের উচিত শিশুদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাদের সামাজিক মিডিয়া আসক্তির বিষয়ে সচেতন করা।
সামাজিক মিডিয়া আসক্তি একটি গুরুতর সমস্যা। এটি শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আমাদের উচিত শিশুদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাদের সামাজিক মিডিয়া আসক্তির বিষয়ে সচেতন করা।
সামাজিক মিডিয়া আসক্তি প্রতিরোধে আমাদের সকলের ভূমিকা রয়েছে। আমাদের উচিত শিশুদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাদের সামাজিক মিডিয়া আসক্তির বিষয়ে সচেতন করা।
সামাজিক মিডিয়া আসক্তি প্রতিরোধে আমরা কী করতে পারি? আমরা কীভাবে শিশুদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারি? আমরা কীভাবে তাদের সামাজিক মিডিয়া আসক্তির বিষয়ে সচেতন করতে পারি?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের উচিত সামাজিক মিডিয়া আসক্তি প্রতিরোধে কাজ করা। আমাদের উচিত শিশুদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাদের সামাজিক মিডিয়া আসক্তির বিষয়ে সচেতন করা।
সামাজিক মিডিয়া আসক্তি প্রতিরোধে আমাদের সকলের ভূমিকা রয়েছে। আমাদের উচিত শিশুদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাদের সামাজিক মিডিয়া আসক্তির বিষয়ে সচেতন করা।
সামাজিক মিডিয়া আসক্তি প্রতিরোধে আমরা একসাথে কাজ করতে পারি। আমরা শিশুদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারি এবং তাদের সামাজিক মিডিয়া আসক্তির বিষয়ে



