মুক্তিযুদ্ধের ৫৩ বছর পরেও অনেক গল্প আমাদের স্মৃতির গভীরে লুকিয়ে আছে। এই সিরিজের ৬ষ্ঠ পর্বে আমরা চট্টগ্রাম শহরের দিকে তাকাচ্ছি, যেখানে গেরিলা বাহিনী দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর মধ্যে ভয়ের সংকেত দিয়েছিল।
চট্টগ্রাম শহর ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর ভোরের আলোর মধ্যে জেগে উঠেছিল যখন গেরিলা বাহিনী ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে একযোগে হামলা চালিয়েছিল। এই হামলার ফলে পাকিস্তানি বাহিনী বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়েছিল।
গেরিলা বাহিনীর এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল ১০০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর জন্য। কিন্তু গেরিলা বাহিনীর একজন সদস্য সৈয়দ এমরান শেষ মুহূর্তে ধরা পড়ার কারণে ১৫টি অপারেশন ব্যর্থ হয়েছিল।
এই হামলার ফলে পাকিস্তানি বাহিনী কমপক্ষে এক সপ্তাহ পর্যন্ত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম শহরে ৫০০টিরও বেশি গেরিলা বাহিনী ৪০০টিরও বেশি অপারেশন চালিয়েছিল।
চট্টগ্রাম শহরের গেরিলা বাহিনীর এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণের পর। এই হামলার জন্য গেরিলা বাহিনী গোপনে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল।
চট্টগ্রাম শহরের গেরিলা বাহিনীর এই হামলা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই হামলার ফলে পাকিস্তানি বাহিনী বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়েছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
চট্টগ্রাম শহরের গেরিলা বাহিনীর এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণের পর। এই হামলার জন্য গেরিলা বাহিনী গোপনে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল।
চট্টগ্রাম শহরের গেরিলা বাহিনীর এই হামলা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই হামলার ফলে পাকিস্তানি বাহিনী বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়েছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
চট্টগ্রাম শহরের গেরিলা বাহিনীর এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণের পর। এই হামলার জন্য গেরিলা বাহিনী গোপনে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল।
চট্টগ্রাম শহরের গেরিলা বাহিনীর এই হামলা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই হামলার ফলে পাকিস্তানি বাহিনী বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়েছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।



