ইউনেস্কো ইতালীয় রান্নাকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এই স্বীকৃতির জন্য দীর্ঘদিন ধরে প্রচার করছিলেন। তিনি বলেছেন, ইতালিয়ানরা খাদ্যকে শুধু একটি খাবার বা রেসিপি হিসেবে দেখে না, বরং এটি তাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, কাজ এবং সম্পদ।
ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি ইতালীয় রান্নার গুরুত্বকে আরও তুলে ধরেছে। ইতালির জাতীয় খাবার যেমন পিজ্জা ইতিমধ্যেই ইউনেস্কোর তালিকায় রয়েছে, এখন ইতালীয় রান্নার ঐতিহ্য এবং এর অনুশীলন ও প্রচারের উপায়গুলিও স্বীকৃতি পেয়েছে।
ইউনেস্কোর একজন মুখপাত্র বলেছেন, ইতালীয় রান্না পরিবার এবং সম্প্রদায়ের সাথে যোগাযোগের একটি উপায়। এটি বাড়িতে, স্কুলে, বা উত্সব, অনুষ্ঠান এবং সামাজিক সমাবেশের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
এই স্বীকৃতি ইতালীয় রান্নার প্রতি ভক্তদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। সিসিলিয়ান কানোলি থেকে কালাব্রিয়ান ‘নডুজা’ পর্যন্ত, ইতালীয় রান্না বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
ইউনেস্কোর এই সিদ্ধান্ত ভারতের দিল্লিতে একটি সভায় ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও মিশরীয় খাবার কোশারি ইউনেস্কোর তালিকায় যোগ করা হয়েছে।
ইউনেস্কো ইতালীয় রান্নার পাশাপাশি অন্যান্য দেশের খাদ্য ঐতিহ্যকেও স্বীকৃতি দিয়েছে। জাপানের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য সংস্কৃতি, মালয়েশিয়ার নাস্তার সংস্কৃতি এবং ফরাসি খাদ্য ঐতিহ্যও ইউনেস্কোর তালিকায় রয়েছে।
ইতালীয় রান্নার এই স্বীকৃতি ইতালির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি ইতালীয় রান্নার গুরুত্বকে আরও তুলে ধরবে এবং বিশ্বব্যাপী এর প্রচারে সাহায্য করবে।
ইতালীয় রান্না একটি সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্র্যময় খাদ্য ঐতিহ্য। এটি বিশ্বব্যাপী পরিচিত এবং প্রশংসিত। ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি ইতালীয় রান্নার গুরুত্বকে আরও তুলে ধরবে এবং এর প্রচারে সাহায্য করবে।
ইতালীয় রান্নার এই স্বীকৃতি ইতালির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি ইতালীয় রান্নার গুরুত্বকে আরও তুলে ধরবে এবং বিশ্বব্যাপী এর প্রচারে সাহায্য করবে। ইতালীয় রান্না একটি সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্র্যময় খাদ্য ঐতিহ্য যা বিশ্বব্যাপী পরিচিত এবং প্রশংসিত।



