সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার সময় বেশ কটি বোমা হোটেলের কাছেই পড়েছিল। এই ঘটনায় বাঙালি ও অবাঙালি উভয়েরই মধ্যে ভীতি দেখা দিয়েছে। অনেকে গ্রামে পালিয়ে যাচ্ছে নিরাপত্তার সন্ধানে।
জাতিসংঘ বিদেশি নাগরিকদের সরিয়ে নিতে বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করতে পাকিস্তান ও ভারতীয়দের সঙ্গে মধ্যস্থতা চালিয়ে যাচ্ছে। কলকাতা-ঢাকা করিডরে বিমান চলাচলের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে। কমপক্ষে নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ বিমানের সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে, বিমানটি ঢাকায় উড়ে আসবে কাল সকালে।
জেনারেল নিয়াজির হোটেল প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাকে বলা হয়েছে, অস্ত্র নিয়ে তিনি হোটেলে ঢুকতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রেডক্রসের নতুন নিয়মাবলি অনুসারে।
ঢাকায় থাকা বাঙালিদের প্রায় সবারই ধারণা, এতিমখানায় আঘাত হানা বোমাটিসহ গত দুই রাতে বেসামরিক এলাকায় যে বোমাবর্ষণ করা হচ্ছে, সেগুলো পাকিস্তানি বিমান থেকে ফেলা হচ্ছে, যাতে দোষ ভারতের ঘাড়ে চাপানো যায়। নির্ভরযোগ্য বিদেশি সূত্রে জানা গেছে, বোমাগুলো প্রপেলার প্লেন থেকে ফেলা হয়েছে, মিগ থেকে নয় এবং বোমা রাখার ওই অস্থায়ী র্যাকটি বোমার সঙ্গেই বিমান থেকে ফেলা হয়েছিল।
এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বিদেশি নাগরিকদের সরিয়ে নিতে। এই প্রচেষ্টায় সাফল্যও মিলেছে। কলকাতা-ঢাকা করিডরে বিমান চলাচলের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে। কমপক্ষে নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ বিমানের সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে, বিমানটি ঢাকায় উড়ে আসবে কাল সকালে।
এই পরিস্থিতিতে জেনারেল নিয়াজির হোটেল প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাকে বলা হয়েছে, অস্ত্র নিয়ে তিনি হোটেলে ঢুকতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রেডক্রসের নতুন নিয়মাবলি অনুসারে। এই সিদ্ধান্তের পর জেনারেল নিয়াজির পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
জাতিসংঘের মধ্যস্থতা এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বিদেশি নাগরিকদের সরিয়ে নিতে। এই প্রচেষ্টায় সাফল্যও মিলেছে। কলকাতা-ঢাকা করিডরে বিমান চলাচলের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে। কমপক্ষে নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ বিমানের সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে, বিমানটি ঢাকায় উড়ে আসবে কাল সকালে।
এই পরিস্থিতিতে জেনারেল নিয়াজির হোটেল প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাকে বলা হয়েছে, অস্ত্র নিয়ে তিনি হোটেলে ঢুকতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রেডক্রসের নতুন নিয়মাবলি অনুসারে। এই সিদ্ধান্তের পর জেনারেল নিয়াজির পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
জাতিসংঘের মধ্যস্থতা এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বিদেশি নাগরিকদের সরিয়ে নিতে। এই প্রচেষ্টায় সাফল্যও মিলেছে। কলকাতা-ঢাকা করিডরে বিমান চলাচলের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার



