ইউকে সরকার রকস্টার গেমসের কর্মীদের বরখাস্তের বিষয়ে তদন্ত করবে। ইউকে প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার পার্লামেন্টের চাপের মুখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রকস্টার গেমস ৩১ জন কর্মীকে অক্টোবর মাসে বরখাস্ত করেছে। এই কর্মীরা সবাই একটি বেসরকারি ট্রেড ইউনিয়ন চ্যাট গ্রুপের সদস্য ছিলেন।
কোম্পানি দাবি করেছে যে এই কর্মীরা কোম্পানির গোপনীয় তথ্য বাইরে শেয়ার করেছেন। কিন্তু ইনডিপেন্ডেন্ট ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন অফ গ্রেট ব্রিটেন এই ঘটনাটিকে গেমস ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে স্পষ্ট এবং নিষ্ঠুর ইউনিয়ন বাস্টিং এর ঘটনা বলে মনে করে।
নভেম্বর মাসে, ইনডিপেন্ডেন্ট ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন রকস্টার গেমসের বিরুদ্ধে আইনি দাবি করেছে। পরের দিন, রকস্টার নর্থের ২০০ জন কর্মী একটি চিঠি স্বাক্ষর করেছেন যেখানে তারা কোম্পানির বরখাস্ত করা কর্মীদের পুনর্বহাল করার দাবি করেছেন। এছাড়াও, এই কর্মীরা এবং তাদের সমর্থকরা রকস্টার নর্থের এডিনবার্গ হেডকোয়ার্টার্সের বাইরে বিক্ষোভ করেছেন। অন্যরা প্যারিস, লন্ডন এবং নিউ ইয়র্কে বিক্ষোভ করেছেন।
এডিনবার্গ ইস্ট এবং মাসেলবর্গের এমপি ক্রিস মারে, যিনি স্টারমারের প্রতিক্রিয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন, তিনি পার্লামেন্টে বলেছেন যে তিনি সাম্প্রতিকভাবে রকস্টার গেমসের সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন যে এই সাক্ষাতে তার উদ্বেগ আরও বাড়ল। তিনি বলেছেন যে রকস্টার গেমস তার কর্মীদের বরখাস্ত করার জন্য যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছে তা ইউকে কর্মসংস্থান আইনের প্রতি যথেষ্ট মনোযোগ দেয়নি।
এই ঘটনাটি গেমস ইন্ডাস্ট্রিতে ইউনিয়ন বাস্টিংয়ের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি কর্মীদের অধিকার রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইউকে সরকারের এই ঘটনাটি তদন্ত করা একটি পজিটিভ পদক্ষেপ। এটি কর্মীদের অধিকার রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
এই ঘটনাটি গেমস ইন্ডাস্ট্রিতে একটি বড় প্রভাব ফেলবে। এটি কোম্পানিগুলিকে তাদের কর্মীদের অধিকার রক্ষার জন্য আরও সচেতন করবে। এটি কর্মীদের অধিকার রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই ঘটনাটি গেমস ইন্ডাস্ট্রিতে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে। এটি কর্মীদের অধিকার রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।



