জনাথন প্রাইস, দুইবার অস্কার এবং বাফটা পুরস্কারের মনোনীত অভিনেতা, ‘লার্গো’ নামক একটি ছোট চলচ্চিত্রে নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে যোগ দিয়েছেন। এই ছোট চলচ্চিত্রটি বর্তমানে ২০২৬ সালের অস্কার পুরস্কারের জন্য সেরা লাইভ অ্যাকশন ছোট চলচ্চিত্র বিভাগে বিবেচনা করা হচ্ছে। ‘লার্গো’ ছোট চলচ্চিত্রটি একজন সিরিয়ান শরণার্থীর গল্প বলে, যে ইংল্যান্ডে ফোস্টার কেয়ারে থাকে এবং তার হারিয়ে যাওয়া পিতামাতাকে খুঁজে বের করার জন্য একটি জলযান তৈরি করে।
এই ছোট চলচ্চিত্রটি সালভাতোর স্কারপা এবং ম্যাক্স বারগয়ন-মুর পরিচালনা করেছেন। রচিদ সাবিত্রি এবং চার্লস মুনিয়ের এই ছোট চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছেন। টনি স্ক্লেসিংগার, মুস্তাফা ওয়েহবি, রেবেকা হ্যারিস-টার্নার, ক্রিস ওভারটন এবং জনাথন প্রাইস এই ছোট চলচ্চিত্রের নির্বাহী প্রযোজক। এই ছোট চলচ্চিত্রটি স্লিক ফিল্মস প্রযোজনা করেছে, যারা ‘দ্য সাইলেন্ট চাইল্ড’ ছোট চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছিল, যা ২০১৮ সালে ৯০তম অস্কার পুরস্কারে সেরা লাইভ অ্যাকশন ছোট চলচ্চিত্র বিভাগে পুরস্কার জিতেছিল।
‘লার্গো’ ছোট চলচ্চিত্রটি ২০২৬ সালের রিফিউজি সপ্তাহে ইংল্যান্ডের বিদ্যালয়গুলিতে প্রদর্শিত হবে, যা শরণার্থীদের অভিজ্ঞতা নিয়ে জনসাধারণ এবং রাজনৈতিক আলোচনায় সহানুভূতি এবং মানবতাকে ফিরিয়ে আনার জন্য একটি জাতীয় উদ্যোগের অংশ। এই ছোট চলচ্চিত্রের প্রযোজনায় সকল বিভাগে শরণার্থী অবস্থাপ্রাপ্ত শিল্পীদের নিয়োগ করা হয়েছে, যা ছোট চলচ্চিত্রটির বাস্তবতাকে সমৃদ্ধ করেছে এবং ব্রিটিশ চলচ্চিত্র শিল্পে শিল্পীদের টেকসই কর্মজীবন গড়ে তোলার সাহায্য করেছে। ‘লার্গো’ ছোট চলচ্চিত্রটি রিফিউজি কাউন্সিল এবং গুড চান্স দ্বারা সমর্থিত।
জনাথন প্রাইসের এই ছোট চলচ্চিত্রে যোগদান একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, কারণ তিনি একজন অভিজ্ঞ অভিনেতা এবং প্রযোজক। তার অংশগ্রহণ এই ছোট চলচ্চিত্রটিকে আরও বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করবে এবং শরণার্থীদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আরও বেশি লোককে সচেতন করবে।
‘লার্গো’ ছোট চলচ্চিত্রটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করছে, যা হল শরণার্থীদের অভিজ্ঞতা এবং তাদের সমস্যাগুলি। এই ছোট চলচ্চিত্রটি আমাদেরকে শরণার্থীদের প্রতি সহানুভূতি এবং বোঝাপড়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করে। আমরা আশা করি যে ‘লার্গো’ ছোট চলচ্চিত্রটি দর্শকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াবে এবং শরণার্থীদের জন্য আরও ভাল ভবিষ্যতের দিকে পরিচালিত করবে।



