তেজগাঁও কলেজের এক ছাত্র আহত হয়ে চার দিন পর মারা গেছে। ছাত্রটির নাম সাকিবুল হাসান রানা, যিনি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের উচ্চ মাধ্যমিক বিজ্ঞান শাখার ছাত্র ছিলেন। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন মারা যান।
এই মারামারির ঘটনাটি ঘটেছিল কলেজের ছাত্রাবাসে। দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়েছিল ছাত্রাবাসে। সাকিবুল হাসান রানা মাথায় আঘাত পান এবং চার দিন পর মারা যান।
পুলিশ জানিয়েছে যে সাকিবুল হাসান রানার মৃতদেহ তার পরিবার হাসপাতাল থেকে নিয়ে গেছে পুলিশকে জানানো ছাড়াই। পুলিশ তাদেরকে মৃতদেহ ফিরিয়ে আনতে বলেছে ময়নাতদন্তের জন্য।
তেজগাঁও কলেজের ছাত্র সংগঠন চতুর্থ দলের একজন নেতা জানিয়েছেন যে ছাত্রাবাসে কিছু ছাত্র মাদক সেবন করছিল। সাকিবুল হাসান রানা এবং অন্যান্য ছাত্ররা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে মারামারি শুরু হয়।
সাকিবুল হাসান রানার একজন সহপাঠী জানিয়েছেন যে তিনি মাদক সেবনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে উভয় গ্রুপের ছাত্ররা চতুর্থ দলের নেতাদের সাথে সম্পর্কিত।
ছাত্ররা আগামীকাল সাকিবুল হাসান রানার মৃত্যুর বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করবে।
এই ঘটনাটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদক সেবন এবং সহিংসতার বিষয়টিকে তুলে ধরে। এটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদক সেবন এবং সহিংসতা রোধ করার জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। ছাত্রদের মাদক সেবনের ক্ষতি সম্পর্কে শিক্ষিত করা এবং তাদের সহিংসতা থেকে দূরে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদক সেবন এবং সহিংসতা রোধ করার জন্য আপনি কী করবেন?



