বিজয় দিবসে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠানটি একটি গণকুচকাওয়াজের আয়োজন করছে। এই অনুষ্ঠানটি জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন অভিমুখে বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে।
গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন বলেছেন, বিজয় দিবস আমাদের অস্তিত্বের উৎস, আমাদের মুক্তির উন্মেষ। তিনি আরও বলেন, গতবারের মত এ বছরও রাষ্ট্রীয় কুচকাওয়াজ স্থগিতের সরকারি সিদ্ধান্ত আমাদের চোখে স্পষ্টতই বিজয়ের পুণ্য স্মৃতিকে সংকুচিত করার এক সংগঠিত প্রয়াস।
শিখা চিরন্তনে মুক্তিযুদ্ধের গান, কবিতা আবৃত্তি, আলোচনা ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে মুক্তির বিজয়গাথা উপস্থাপন করা হবে। জামসেদ আনোয়ার তপন বলেছেন, আমরা ভুলে যাইনি – বিজয় দিবস, বইমেলা, বাউলদের গান এসবই জনগণের ঐতিহ্য; কোনো সরকারের নয়।
গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং বিবর্তন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান লালটু, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, বাংলাদেশ থিয়েটারের দলপ্রধান খন্দকার শাহ আলম, সমাজ অনুশীলন কেন্দ্রের সমন্বয়ক বিমল কান্তি দাশ, সমাজচিন্তা ফোরামের আহ্বায়ক কামাল হোসেন বাদল, উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি তাহমিনা ইয়াসমিন নীলা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন।
সমাজ অনুশীলন কেন্দ্রের সংগঠক রঘু অভিজিৎ রায়, উদীচীর (একাংশ) সহ-সাধারণ সম্পাদক ইকবালুল হক খান, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সহ-সভাপতি কবি কামরুজ্জামান ভূঁইয়া ও মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান কবির, সমাজচিন্তা ফোরামের সংগঠক কাইয়ূম হোসেন ও রঞ্জন দাশ শিবুও এসময় উপস্থিত ছিলেন।
এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠানটি বিজয় দিবসের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরার চেষ্টা করছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করবে।
বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের এই গণকুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐক্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াবে। এটি একটি সুস্পষ্ট বার্তা যে বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।
গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের এই উদ্যোগটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটি বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সংহতি ও ঐক্যের ভাব জাগ্রত করবে এবং তাদেরকে তাদের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য অনুপ্রাণিত করবে।
বিজয় দিবসের এই গণকুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির একটি অংশ হয়ে উঠবে। এটি বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে গর্ব ও অহংকারের অনুভূতি জাগ্রত করবে এবং তাদেরকে তাদের দেশ ও জাতির প্রতি আরও



