বাংলাদেশ নৌবাহিনী বঙ্গোপসাগরে এক অভিযান পরিচালনা করে ২২ জনকে আটক করেছে। তারা সিমেন্ট পাচারের সময় আটক হয়েছে।
নৌবাহিনীর জাহাজ ‘প্রত্যাশা’ মঙ্গলবার রাতে গভীর সমুদ্র থেকে তাদের আটক করে। আটক করা হয়েছে ১৫০০ বস্তা সিমেন্টবোঝাই দুটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা সহ।
নৌবাহিনী জানিয়েছে, গোপন খবরে জানা যায়, একটি চক্র সাগরপথে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্ট মিয়ানমারে পাচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
আটক করা নৌকা দুটি হল ‘খাজা গরিব-ই-নেওয়াজ-৬’ এবং ‘মা বাবার দোয়া-১০’। জব্দ করা বোট, সিমেন্ট এবং আটক ২২ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নৌবাহিনী জানিয়েছে, সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে তাদের অভিযান ও টহল অব্যাহত থাকবে।
এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় মামলা করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার চলবে।
নৌবাহিনীর এই অভিযান সিমেন্ট পাচার রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
সরকার এবং নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এই ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানের ফলে সিমেন্ট পাচার রোধ করা সম্ভব হবে।
এই ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে বিচার চলবে।
নৌবাহিনীর এই অভিযান দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
সরকার এবং নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এই ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানের ফলে সিমেন্ট পাচার রোধ করা সম্ভব হবে।
এই ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে বিচার চলবে।
নৌবাহিনীর এই অভিযান দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
সরকার এবং নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এই ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানের ফলে সিমেন্ট পাচার রোধ করা সম্ভব হবে।
এই ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে বিচার চলবে।
নৌবাহিনীর এই অভিযান দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
সরকার এবং নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এই ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানের ফলে সিমেন্ট পাচার রোধ করা সম্ভব হবে।
এই ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে বিচার চলবে।
নৌবাহিনীর এই অভিযান দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
সরকার এবং নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এই ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানের ফলে সিমেন্ট পাচার রোধ করা সম্ভব হবে।
এই ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে বিচার চলবে।
নৌবাহিনীর এই অভিযান দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
সরকার এবং নৌবাহ



