আসিফ মাহমুদ সম্প্রতি স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি তাঁর সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দিয়েছেন এবং কূটনৈতিক পাসপোর্টও ফেরত দিয়েছেন।
আসিফ মাহমুদ বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের আয় ও সম্পদ বিবরণী জমা দিতে গত বছর অক্টোবরে একটি নীতিমালা জারি করে সরকার।
আসিফ মাহমুদ বলেন, তিনি তাঁর সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আঞ্চলিক পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে। তিনি জানান, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুদককে অনুরোধ করে জানিয়েছেন এ বিষয়ে তদন্ত করার জন্য।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে এক বছরের বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, অনেক ধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিগত ২৫ বছরে যা শিখেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরের দেড় বছরে তার চেয়ে বেশি শিখেছেন।
নিজের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুদককে অনুরোধ করে জানিয়েছেন এ বিষয়ে তদন্ত করার জন্য।
আসিফ মাহমুদের এই সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, এটি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে একটি নতুন ধাপ। অন্যরা মনে করেন, এটি তাঁর রাজনৈতিক ক্ষমতার অবসান।
যাইহোক, একটি বিষয় নিশ্চিত, আসিফ মাহমুদের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।



