আসিফ মাহমুদ সম্পদের বিবরণী দাখিল করেছেন এবং তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করেছেন। তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট ধারণ করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।
নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি বলেন, তিনি নির্বাচন করবেন, এটা নিশ্চিত। তবে কোথা থেকে বা কোন দল থেকে করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত নয়।
উপদেষ্টা পদে থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনগত বাধা না থাকলেও নৈতিকতার প্রশ্ন আছে। যা নিজে বলেছি, সেটির চর্চা করবো।
তার ব্যক্তিগত এপিএস মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য তিনি দুদককে অনুরোধ করেছেন।
আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের শুরুতেই উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি প্রথমে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
বর্তমানে উপদেষ্টা পরিষদে প্রধান উপদেষ্টা ছাড়া উপদেষ্টা রয়েছেন ২২ জন। আসিফ মাহমুদ পদত্যাগ করলে উপদেষ্টাদের সংখ্যা হবে ২১।
প্রধান উপদেষ্টা পাঁচ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। ১০ জন ছাড়া বাকি সব উপদেষ্টা একটি করে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।



