দুর্নীতি বিরোধী কমিশন (এসিসি) ৬০টি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ৬০টি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব এজেন্সির ১২৪ জন মালিক ও কর্মকর্তা মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর নামে ৪,৫৪৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এসব মামলার আওতায় আসবেন।
এসিসি সূত্রের তথ্য মতে, এসব এজেন্সির মালিক ও কর্মকর্তারা সরকার নির্ধারিত ফি থেকে বেশি টাকা নিয়েছেন। সরকারের নির্ধারিত ফি হলো ৭৮,৯৯০ টাকা, কিন্তু এসব এজেন্সি এই ফি থেকে বেশি টাকা নিয়েছে। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এসিসি সূত্রের তথ্য মতে, এসব এজেন্সির মালিক ও কর্মকর্তারা একটি সংগঠিত সিন্ডিকেট গঠন করেছেন। তারা বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকে সরকারের নির্ধারিত ফি থেকে বেশি টাকা নিয়েছেন। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, ৪০টি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ৪০টি মামলা করা হয়েছিল। এসব এজেন্সির মালিক ও কর্মকর্তারা ৩,৪৩৮.৯৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এসব মামলার আওতায় আসেন। এসব মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
এসিসি সূত্রের তথ্য মতে, এসব এজেন্সির মালিক ও কর্মকর্তারা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং তারা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন।
এসিসি সূত্রের তথ্য মতে, এসব এজেন্সির মালিক ও কর্মকর্তারা তাদের অবৈধ কার্যকলাপের জন্য দায়ী। তারা সরকারের নির্ধারিত ফি থেকে বেশি টাকা নিয়েছেন এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং তারা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন.
এই ঘটনায় এসিসি সূত্রের তথ্য মতে, এসব এজেন্সির মালিক ও কর্মকর্তারা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন। তারা তাদের অবৈধ কার্যকলাপের জন্য দায়ী। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং তারা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন.
এই ঘটনায় এসিসি সূত্রের তথ্য মতে, এসব এজেন্সির মালিক ও কর্মকর্তারা তাদের অবৈধ কার্যকলাপের জন্য দায়ী। তারা সরকারের নির্ধারিত ফি থেকে বেশি টাকা নিয়েছেন এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং তারা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন.
এই ঘটনায় এসিসি সূত্রের তথ্য মতে, এসব এজেন্সির মালিক ও কর্মকর্তারা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন। তারা তাদের অবৈধ কার্যকলাপের জন্য দায়ী। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং তারা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন.
এই ঘটনায় এসিসি সূত্রের তথ্য মতে, এসব এজেন্সির মালিক ও কর্মকর্তারা তাদের অবৈধ কার্যকলাপের জন্য দায়ী। তারা সরকারের নির্ধারিত ফি থেকে বেশি টাকা নিয়েছেন এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং তারা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন.
এই ঘটনায় এসিসি সূত্রের তথ্য মতে, এসব এজেন্সির মালিক ও কর্মকর্তারা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন। তারা তাদের অবৈধ কার্যকলাপের জন্য দায়ী। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং তারা আইনি ব্যবস্থার



