সিংগাইর থানা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরির ঘটনা ঘটেছে। মসজিদের দানবাক্স ও আলমারি ভেঙে মুয়াজ্জিন বেতনসহ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।
মসজিদের ক্যাশিয়ার মো. আতাউর রহমান বলেছেন, তিনমাস ধরে মসজিদের দানবাক্স খোলা হয় না। বোঝা যাচ্ছে লোহার শাবল দিয়ে দানবাক্স ভেঙে টাকাগুলো নিয়ে গেছে।
মসজিদের মুয়াজ্জিন হাবিবুল্লাহ বলেছেন, বুধবার ভোরে আজান দিতে এসে চুরির বিষয়টি জানতে পেরে কমিটিকে জানাই। এরপর দেখি আলমারিতে রাখা আমার বেতনের ১৩ হাজার ৫০০ টাকা ছিল সেটাও নিয়ে গেছে।
থানা মসজিদের সভাপতি ও ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম বলেছেন, মসজিদের চুরির বিষয়টি জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় কে বা কারা জড়িত তা শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, মসজিদ সংলগ্ন থানার সীমানা প্রাচীর ডিঙিয়েই এই চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মসজিদের পাশে চা দোকানদার গিয়াস উদ্দিন বলেছেন, থানার আশপাশে ব্যাপক হারে চুরির ঘটনায় আমরা এখন আতঙ্কিত।
পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করছে। এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছে পুলিশ।
এই ঘটনায় মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সতর্কতা অবলম্বন করছে। মসজিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় জনগণ আতঙ্কিত। তারা পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চাইছে। পুলিশ তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
এই ঘটনায় আরও তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে চাইছে।
এই ঘটনায় মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ মিলে কাজ করছে। তারা এই ঘটনার সমাধান করতে চাইছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় জনগণ পুলিশের সহায়তা চাইছে। তারা পুলিশকে সহায়তা করতে চাইছে।
এই ঘটনায় আরও খবর পাওয়া যাবে। পুলিশ এই ঘটনার সমাধান করতে চাইছে।
এই ঘটনায় মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ মিলে কাজ করছে। তারা এই ঘটনার সমাধান করতে চাইছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় জনগণ আতঙ্কিত। তারা পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চাইছে। পুলিশ তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
এই ঘটনায় আরও তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে চাইছে।
এই ঘটনায় মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ মিলে কাজ করছে। তারা এই ঘটনার সমাধান করতে চাইছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় জনগণ পুলিশের সহায়তা চাইছে। তারা পুলিশকে সহায়তা করতে চাইছে।
এই ঘটনায় আরও খবর পাওয়া যাবে। পুলিশ এই ঘটনার সমাধান করতে চাইছে।
এই ঘটনায় মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ মিলে কাজ করছে। তারা এই ঘটনার সমাধান করতে চাইছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় জনগণ আতঙ্কিত। তারা পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চাইছে। পুলিশ তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
এই ঘটনায় আরও তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে চাইছে।
এই ঘটনায় মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ মিলে কাজ করছে। তারা এই ঘটনার সমাধান করতে চাইছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় জনগণ পুলিশের সহায়তা চাইছে। তারা পুলিশকে সহায়তা করতে চাইছে।
এই ঘটনায় আরও খবর পাওয়া যাবে। পুলিশ এই ঘটনার সমাধান করতে



