আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, সজিব ওয়াজেদ জয়ের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব থাকুক বা না থাকুক, তিনি রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত ছিলেন এবং উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন।
বুধবার ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞে সহায়তা এবং মরদেহ ও আলামত গুমের মামলায় শুনানি শেষে চিফ প্রসিকিউটর এই কথা বলেন। তিনি আরও জানান, জয়ের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনেই হবে এবং তার বিরুদ্ধে অকাট্য প্রমাণ আছে।
চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, বুধবার জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানকে হাজির করা হয়। তাদের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্য থেকে দুজন আইনজীবী আনার আবেদন করা হয়। এ মামলার অভিযোগ গঠনে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ১৭ ডিসেম্বর।
এদিন ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞে সহায়তা এবং মরদেহ ও আলামত গুমের মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে হাজির করা হয়। আর উপস্থিত না থাকায় হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে হাজির করতে পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছে আরও দুজন। এ নিয়ে মামলায় সাক্ষী দিলেন ২৪ জন।
আদালত পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে ১৭ ডিসেম্বর। এদিন আসামিদের অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আদালত আশা করছে যে এই মামলায় দ্রুত বিচার হবে এবং অপরাধীরা শাস্তি পাবে।
এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অকাট্য প্রমাণ আছে। আদালত আশা করছে যে এই মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে এবং অপরাধীরা শাস্তি পাবে।



