সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আগামীকাল বৃহস্পতিবার উদ্বোধন করা হবে। এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনিক ভবন-৪ এ সচিবালয় উদ্বোধন করবেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। গত ৩০ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির নির্দেশে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশ জারি করে।
এর আগে গত ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
অধ্যাদেশ জারির পর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণ নিশ্চিতকরণে প্রধান বিচারপতির উদ্যোগে গত বছরের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট থেকে পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাব আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
ওই প্রস্তাবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক অধঃস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ যথাযথভাবে পালনের উদ্দেশ্যে একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য অধ্যাদেশের খসড়া, প্রস্তাবিত সচিবালয়ের অর্গানোগ্রাম এবং রুলস অব বিজনেস ও অ্যালোকেশন অব বিজনেস-এর সম্ভাব্য সংস্কার সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পাঠানো হয়।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের ইতিবাচক সহযোগিতায় বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন আজ বাস্তব রূপ নিল বলে মনে করছে সুপ্রিম কোর্ট।
এই উদ্যোগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও, এটি আইনি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও দক্ষ করে তুলবে।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আইনি ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগ বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ নেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগ বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় একটি নতুন যুগের সূচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগ বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ নেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগ বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পাল



