বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রবিন খুদা, অস্ট্রেলিয়ান ডেটা সেন্টার কোম্পানি এয়ারট্রাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা, ফোর্বস এশিয়ার ২০২৫ সালের পরোপকারী নেতাদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এই স্বীকৃতি তার শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে লিঙ্গ বৈষম্য মোকাবেলার জন্য তার উল্লেখযোগ্য অনুদানের পরে এসেছে।
রবিন খুদা ১০০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে দান করেছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক পরোপকারী অনুদান। এই তহবিলটি খুদা পরিবার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি ২০ বছরের একটি প্রোগ্রাম সমর্থন করবে যা বালিকা ও মহিলাদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (স্টেম) ক্ষেত্রে উন্নতি করতে সাহায্য করবে। এই প্রোগ্রামটি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বৃত্তি এবং দীর্ঘমেয়াদী সমর্থন প্রদান করবে।
ফোর্বস এশিয়ার ১৯তম সংস্করণে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দশজন ব্যক্তি ও পরিবারকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে যারা দাতব্য কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিগত অবদান রেখেছেন। শিক্ষা এই বছরের তালিকার একটি মূল ফোকাস এলাকা হিসেবে রয়েছে।
রবিন খুদা ২০২০ সালে তার স্ত্রী মিলিয়া ওয়াকার-খুদার সাথে খুদা পরিবার ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন, যার লক্ষ্য প্রযুক্তি খাতে লিঙ্গ সমতা অর্জন করা। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি শিক্ষা ও লিঙ্গ সমতা প্রচারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছেন।
এয়ারট্রাঙ্কের অধিগ্রহণের পর, রবিন খুদার এই দাতব্য প্রচেষ্টা তার সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতি অঙ্গীকার প্রকাশ করে। তার এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চান।
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রবিন খুদার এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি বাংলাদেশের নামকে সারা বিশ্বে উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। তার এই অর্জন বাংলাদেশের যুবসমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে।
রবিন খুদার এই দাতব্য প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি সমাজের প্রতি তার দায়িত্ব পালন করছেন। তার এই প্রচেষ্টা অন্যদেরকেও অনুপ্রাণিত করতে পারে সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে। তার এই অর্জন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে এবং তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা ও দাতার স্বরূপে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।



