আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভবিষ্যতে কেউ মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত না হোক। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে গত দেড় দশক ধরে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। এখন গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার সুরক্ষার নতুন যাত্রায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তারেক রহমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মৌলিক অধিকার হারানো নির্যাতিত মানুষের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ দেড় দশক ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের কালো অধ্যায় পার করেছে। সে সময় গণতন্ত্রকে নিশ্চিহ্ন করে রাষ্ট্রব্যবস্থাকে কুক্ষিগত করা হয়েছিল। রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, ছাত্র, শ্রমিক কিংবা সাধারণ মানুষ—যাঁরাই এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন, তাঁরাই মিথ্যা মামলা, কারাবাস, শারীরিক নির্যাতন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেছেন, আমাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা এমন হতে হবে, যেখানে মানুষের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। তিনি দারিদ্র্য বিমোচনকে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি অর্জনযোগ্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেছেন, দেশের আপামর জনগণের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন কারাবন্দি থেকে এবং মিথ্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে যে নির্মম পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন, তা মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। তিনি চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার আশু সুস্থতা কামনা করেছেন।
তারেক রহমান বলেছেন, মানবাধিকার কোনো বিশেষ দিনের বিষয় নয়, এটি প্রতিদিনের চর্চার বিষয়। মানবাধিকার সুরক্ষিত রেখে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যাত্রায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
এই বিবৃতি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় নির্দেশ করছে। এই বিবৃতির পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট কেমন হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে।
এই বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে আমাদের পরবর্তী প্রতিবেদনে।



