নরসিংদীতে সন্ত্রাসী নিয়ন্ত্রণে যৌথবাহিনী নামানোর ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বুধবার সকালে নরসিংদী জেলা কারাগার পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
নরসিংদীর সবচেয়ে বড় সমস্যা রায়পুরায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এখানে সন্ত্রাসীদের আড্ডা অনেক বেশি ও হাতিয়ার রয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯ জুলাই জেলখানা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হলে সব কয়েদি পালিয়ে যায়। এ সময় নরসিংদী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল ফারুকসহ পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সকালে নরসিংদী পুলিশ লাইনসের ক্যান্টিন, হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন। পরে তিনি নরসিংদী জেলা কারাগার পরিদর্শন করেন।
নরসিংদীতে যৌথবাহিনী নামানোর ঘোষণার পর এলাকার মানুষ নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার আশা করছে। তারা আশা করছে যৌথবাহিনী নামানোর মাধ্যমে এলাকার সন্ত্রাসী নিয়ন্ত্রণে আসবে।
নরসিংদীতে যৌথবাহিনী নামানোর ঘোষণা রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। বিরোধী দলগুলো এই ঘোষণাকে রাজনৈতিক অভিসন্ধি হিসেবে দেখছে। তারা বলছে যৌথবাহিনী নামানোর মাধ্যমে সরকার রাজনৈতিক সুবিধা নেবে।
কিন্তু সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করছে। সরকার বলছে যৌথবাহিনী নামানোর মাধ্যমে নরসিংদীর সন্ত্রাসী নিয়ন্ত্রণে আসবে। সরকার আশা করছে যৌথবাহিনী নামানোর মাধ্যমে এলাকার মানুষ নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
নরসিংদীতে যৌথবাহিনী নামানোর ঘোষণার পর এলাকার মানুষ আশা করছে যে তারা নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। তারা আশা করছে যৌথবাহিনী নামানোর মাধ্যমে এলাকার সন্ত্রাসী নিয়ন্ত্রণে আসবে।



