জাতিসংঘের বহুমাত্রিক দুর্বলতা সূচকের বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা প্যানেলে ড. ফাহমিদা খাতুন সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। এই প্যানেলটি ১৫ সদস্যের এবং বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত।
প্যানেলটি বহুমাত্রিক দুর্বলতা সূচকের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, পদ্ধতিগত কাঠামো ও বৈশ্বিক নীতি-প্রক্রিয়ায় এর প্রয়োগকে শক্তিশালী করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেবে। এছাড়াও তারা এমভিআই সচিবালয় এবং জাতিসংঘের পরিসংখ্যান কমিশনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে, যাতে সূচকটি পদ্ধতিগতভাবে নির্ভরযোগ্য ও নীতি নির্ধারণে কার্যকর থাকে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের রেজোলিউশন ৭৮/৩২২ অনুযায়ী প্যানেলটি প্রতি তিন বছর পর পর এমভিআই পর্যালোচনা করবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদ্ধতিগত উন্নয়নের সুপারিশ দেওয়া এবং উন্নয়নশীল দেশগুলো দুর্বলতা কমানো ও স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে কী অগ্রগতি করছে, তা পর্যবেক্ষণ করাও প্যানেলের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।
জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এমভিআই যেভাবে ব্যবহার করছে, সেখানকার অভিজ্ঞতাও তারা বিবেচনায় নেবে। ড. ফাহমিদা খাতুনের এই নিয়োগকে বৈশ্বিক উন্নয়ন আলোচনায় বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই প্যানেলের কাজ বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের একজন বিশেষজ্ঞ এই প্যানেলে থাকার ফলে দেশটির উন্নয়নের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিশ্বব্যাপী ভাগ করে নেওয়া সম্ভব হবে।
ড. ফাহমিদা খাতুনের নিয়োগ বাংলাদেশের জন্য একটি গৌরবের বিষয়। এটি দেশটির উন্নয়নের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা ও সমর্থনের প্রমাণ।
জাতিসংঘের এই উপদেষ্টা প্যানেলের কাজ বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের একজন বিশেষজ্ঞ এই প্যানেলে থাকার ফলে দেশটির উন্নয়নের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিশ্বব্যাপী ভাগ করে নেওয়া সম্ভব হবে।
এই প্যানেলের কাজ বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের একজন বিশেষজ্ঞ এই প্যানেলে থাকার ফলে দেশটির উন্নয়নের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিশ্বব্যাপী ভাগ করে নেওয়া সম্ভব হবে।
ড. ফাহমিদা খাতুনের নিয়োগ বাংলাদেশের জন্য একটি গৌরবের বিষয়। এটি দেশটির উন্নয়নের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা ও সমর্থনের প্রমাণ।
জাতিসংঘের এই উপদেষ্টা প্যানেলের কাজ বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের একজন বিশেষজ্ঞ এই প্যানেলে থাকার ফলে দেশটির উন্নয়নের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিশ্বব্যাপী ভাগ করে নেওয়া সম্ভব হবে।
এই প্যানেলের কাজ বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের একজন বিশেষজ্ঞ এই প্যানেলে থাকার ফলে দেশটির উন্নয়নের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিশ্বব্যাপী ভাগ করে নেওয়া সম্ভব হবে।
ড. ফাহমিদা খাতুনের নিয়োগ বাংলাদেশের জন্য একটি গৌরবের বিষয়। এটি দেশটির উন্নয়নের প্রত



