জুলাই সনদের আংশিক বাস্তবায়ন হবে বলে মনে করেন প্রায় ২০ শতাংশ উত্তরদাতা। আর সনদের পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে বলে মনে করেন প্রায় ৭ শতাংশ। এই সনদটি রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ধারাবাহিক আলোচনার ভিত্তিতে প্রস্তুত হয়েছে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দীর্ঘ আলোচনার পর গত ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক অনুষ্ঠানে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে বিভিন্ন দল। জুলাই সনদের বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ কয়েকটি দলের অবস্থানের পার্থক্য আছে।
জুলাই সনদে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব আছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ৪৮টি প্রস্তাব সংবিধান-সম্পর্কিত। গত ১৩ নভেম্বর ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। বিএনপি নির্বাচনের দিনেই গণভোট এবং নিম্নকক্ষের আসন অনুযায়ী উচ্চকক্ষ গঠনের পক্ষে ছিল, জামায়াত-এনসিপির অবস্থান ছিল এর বিপরীত। এই মতপার্থক্য জুলাই সনদের বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
জুলাই সনদের বাস্তবায়ন রাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। এই সনদের মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কার আনা সম্ভব হবে। তবে, এই সংস্কারগুলো কীভাবে বাস্তবায়িত হবে তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে আলোচনা চলছে। এই আলোচনার মাধ্যমে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। তবে, এই পরিবর্তনগুলো কীভাবে ঘটবে তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
জুলাই সনদের বাস্তবায়ন রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সনদের মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কার আনা সম্ভব হবে। তবে, এই সংস্কারগুলো কীভাবে বাস্তবায়িত হবে তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।



