সুদানের একজন মিলিশিয়া নেতাকে দারফুর সংঘর্ষের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের জন্য ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এই রায় দিয়েছে। আলি মুহাম্মদ আলি আবদ-আল-রহমান নামের এই মিলিশিয়া নেতাকে গত অক্টোবরে ২৭টি যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।
দারফুরের জনগণের উপর সংঘটিত নৃশংসতার জন্য এই মিলিশিয়া নেতা দায়ী। তিনি জানজাওয়েদ নামের একটি সরকার সমর্থিত গোষ্ঠীর নেতা ছিলেন, যারা দারফুরের জনগণের উপর নৃশংসতা চালিয়েছিল। এই গোষ্ঠীর সদস্যরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছিল এবং অনেক গ্রামকে ধ্বংস করেছিল।
আইসিসির বিচারক জোয়ানা কর্নার এই রায় দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আলি মুহাম্মদ আলি আবদ-আল-রহমান নৃশংসতার নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং নিজেও কিছু নৃশংসতা সংঘটিত করেছিলেন। তিনি তার সৈনিকদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, অ-আরব গোষ্ঠীর লোকদের ধ্বংস করতে এবং কাউকেই বাঁচতে না দিতে।
দারফুর সংঘর্ষ ২০০৩ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল। এই সংঘর্ষে হাজার হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। এই সংঘর্ষের জন্য সুদানের সরকারকে দায়ী করা হয়েছে।
আলি মুহাম্মদ আলি আবদ-আল-রহমানের বিচার আইসিসির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই বিচার থেকে বোঝা যায়, যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দেওয়া সম্ভব। এই বিচার দারফুরের জনগণের জন্য একটি ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে একটি পদক্ষেপ।
দারফুরের জনগণ এখনও নিরাপদ নয়। সুদানের সরকার এবং অন্যান্য গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। দারফুরের জনগণের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা এখনও একটি চ্যালেঞ্জ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দারফুরের জনগণের জন্য সহায়তা প্রদান করতে হবে।
আলি মুহাম্মদ আলি আবদ-আল-রহমানের বিচার থেকে বোঝা যায়, যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দেওয়া সম্ভব। এই বিচার দারফুরের জনগণের জন্য একটি ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে একটি পদক্ষেপ। দারফুরের জনগণের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা এখনও একটি চ্যালেঞ্জ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দারফুরের জনগণের জন্য সহায়তা প্রদান করতে হবে।



