পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ)-এর কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ। এই অভিযানের মধ্যে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সংস্থার সদরদপ্তরে প্রবেশ করেছে এবং সেখানে তারা ইসরায়েলের পতাকা উত্তোলন করেছে।
ইসরায়েল কর্তৃপক্ষের দাবি, কর না দেওয়ায় তারা এই অভিযান পরিচালনা করেছে। তবে, ইউএনআরডব্লিউএ এই অভিযানকে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিন্দা করেছে।
জেরুজালেম পৌরসভা জানিয়েছে, কর সংগ্রাহকরা সম্পত্তির বকেয়া ১ কোটি ১০ লাখ শেকেল কর আদায় করতে ইউএনআরডব্লিউএ- এর কার্যালয়ে ঢুকেছিল। এর আগে জাতিসংঘ সংস্থাটিকে করের বিষয়টি মীমাংসা করার যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
ইসরায়েলের এই অভিযান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ইউএনআরডব্লিউএ-এর কমিশনার জেনারেল ফিলিপ লাজারিনি বলেছেন, ইসরায়েল জাতিসংঘ সংস্থাটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পরও জেরুজালেমের কম্পাউন্ডটি জাতিসংঘ দপ্তর হিসাবে রয়ে গিয়েছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলের পদক্ষেপের নিন্দা করেছে। জাতিসংঘ সংস্থাটি এই অভিযানকে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে।
এই ঘটনার পর, ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
ইউএনআরডব্লিউএ-এর মুখপাত্র জোনাথন ফ্লাওয়ার বলেছেন, ইসরায়েল জাতিসংঘ সংস্থাটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পরও জেরুজালেমের কম্পাউন্ডটি জাতিসংঘ দপ্তর হিসাবে রয়ে গিয়েছে। কম্পাউন্ডটি এবছর খালি করে দেওয়া হয় এবং পৌরসভার কাছে তাদের কোনও দেনা নেই।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলের পদক্ষেপের নিন্দা করেছে। জাতিসংঘ সংস্থাটি এই অভিযানকে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে।
এই ঘটনার পর, ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
ইসরায়েলের এই অভিযান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ইউএনআরডব্লিউএ-এর কমিশনার জেনারেল ফিলিপ লাজারিনি বলেছেন, ইসরায়েল জাতিসংঘ সংস্থাটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পরও জেরুজালেমের কম্পাউন্ডটি জাতিসংঘ দপ্তর হিসাবে রয়ে গিয়েছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলের পদক্ষেপের নিন্দা করেছে। জাতিসংঘ সংস্থাটি এই অভিযানকে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে।
এই ঘটনার পর, ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।



