27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিট্রাম্পের ঘোষণা, চীনে এআই চিপ রফতানি অনুমোদন

ট্রাম্পের ঘোষণা, চীনে এআই চিপ রফতানি অনুমোদন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে একটি চুক্তি করেছেন, যার মাধ্যমে মার্কিন চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া চীনে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চিপ রফতানি করতে পারবে।

এই ঘোষণাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত এআই চিপ রফতানি নীতির একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। পূর্বে, জো বাইডেনের প্রশাসন চীনের সামরিক ব্যবহারের উদ্বেগের কারণে এই ধরনের চিপ রফতানি সীমিত করেছিল।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কংগ্রেস সদস্যরা এই সিদ্ধান্তটিকে একটি ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা চীনের সামরিক বাহিনী এবং অর্থনীতিকে সাহায্য করবে।

ট্রাম্প তার সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে জানিয়েছেন যে তিনি চীনের অনুমোদিত গ্রাহকদের কাছে এনভিডিয়ার এইচ২০০ পণ্য রফতানির অনুমতি দেবেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই সিদ্ধান্তের প্রতি ইতিবাচকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

ট্রাম্প তার পূর্বসূরি বাইডেনের নীতির সমালোচনা করেছেন, বলেছেন যে তার প্রশাসন মার্কিন কোম্পানিগুলিকে চীনের জন্য কম ক্ষমতাসম্পন্ন পণ্য তৈরি করতে বাধ্য করেছিল, যা মার্কিন শ্রমিকদের ক্ষতি করেছে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সরাসরি এই চুক্তির বিষয়ে কিছু বলেননি, তবে জানিয়েছেন যে চীন সর্বদা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে পারস্পরিক সুবিধা এবং জয়-জয় ফলাফলের পক্ষে।

বাইডেন প্রশাসনের সীমাবদ্ধতার অধীনে, এনভিডিয়ার এইচ২০০ এবং অন্যান্য উন্নত চিপগুলি চীনে রফতানি করা হয়নি।

এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন-চীন সম্পর্কের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে। এটি মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলির জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে, তবে এটি জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগও বাড়াতে পারে।

এই বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে এমন আশা করা যায়, কারণ মার্কিন এবং চীনা কর্তৃপক্ষ এই চুক্তির বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা করবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য এই চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। তবে, এই চুক্তির সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কেও উদ্বেগ রয়েছে।

এই চুক্তি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে এমন আশা করা যায়, কারণ মার্কিন এবং চীনা কর্তৃপক্ষ এই চুক্তির বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা করবে। এই চুক্তি মার্কিন-চীন সম্পর্কের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য এই চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। তবে, এই চুক্তির সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কেও উদ্বেগ রয়েছে। এই চুক্তি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে এমন আশা করা যায়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments