মাইক্রোসফ্ট ভারতে ২০২৯ সালের মধ্যে ১৭.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করেছে। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে কোম্পানিটি দেশটিতে তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ক্লাউড পরিষেবার পরিসর প্রসারিত করবে। ভারতের বিশাল অনলাইন এবং স্মার্টফোন ব্যবহারকারী ভিত্তি বিশ্বের প্রধান প্রযুক্তি কোম্পানিগুলির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারে পরিণত হচ্ছে।
এই বিনিয়োগের মাধ্যমে মাইক্রোসফ্ট নতুন ডেটা সেন্টার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামো এবং দক্ষতা বিকাশের কর্মসূচি চালু করবে। এই পরিকল্পনা ২০২৬ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। মাইক্রোসফ্ট ইতিমধ্যেই ভারতে ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।
ভারতে মাইক্রোসফ্টের এই বিনিয়োগ গুগল, আমাজন এবং ওপেনএআই সহ অন্যান্য প্রযুক্তি কোম্পানিগুলির জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। এই কোম্পানিগুলি ইতিমধ্যেই ভারতে তাদের উপস্থিতি বাড়াতে কাজ করছে।
মাইক্রোসফ্ট ভারতের হায়দ্রাবাদে একটি নতুন ডেটা সেন্টার অঞ্চল চালু করবে। এই ডেটা সেন্টারটি দেশটিতে কোম্পানির বৃহত্তম ডেটা সেন্টার হবে। এটি তিনটি উপলব্ধতা অঞ্চল নিয়ে গঠিত হবে।
মাইক্রোসফ্ট ভারতের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ করে দুটি ডিজিটাল পাবলিক প্ল্যাটফর্মে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্ষমতা একীভূত করবে। এই প্ল্যাটফর্মগুলি হল ই-শ্রম এবং জাতীয় ক্যারিয়ার পরিষেবা।
মাইক্রোসফ্টের এই বিনিয়োগ ভারতের ডিজিটাল অবকাঠামো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রহণকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করবে। এটি দেশটিকে একটি বৈশ্বিক প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করবে।
মাইক্রোসফ্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সত্য নাদেলার ভারত সফরের সময় এই ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। এই ঘোষণা ভারতের প্রযুক্তি খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
মাইক্রোসফ্টের এই বিনিয়োগ ভারতের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এটি দেশটিতে নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং প্রযুক্তি খাতের বিকাশকে ত্বরান্বিত করবে।



