লিথুয়ানিয়া সরকার প্রতিবেশী দেশ বেলারুস থেকে আসা আবহাওয়া বেলুনের কারণে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছে। এই বেলুনগুলোতে চোরাচালানের সিগারেট পাওয়া গেছে।
লিথুয়ানিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইঙ্গা রুগিনিয়েনে এই ঘটনাটিকে বেলারুসের একটি ‘হাইব্রিড আক্রমণ’ বলে অভিহিত করেছেন, যা জাতীয় নিরাপত্তা এবং বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য একটি বড় হুমকি।
এই বছর পর্যন্ত, প্রায় ৬০০টি বেলুন এবং ২০০টি ড্রোন লিথুয়ানিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে, যার ফলে ভিলনিয়াস বিমানবন্দর বারবার বন্ধ করা হয়েছে।
বেলারুসের নেতা আলেকজান্ডার লুকাশেনকো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন যে লিথুয়ানিয়া এই বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে।
লিথুয়ানিয়ার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে, যা একটি জাতীয় জরুরী অবস্থার চেয়ে একধাপ নিচে। এটি সামরিক বাহিনীকে আরও দ্রুত এবং কার্যকরভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে অনুমতি দেয়।
বেলারুসের দীর্ঘকালীন নেতা রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিনের একজন ঘনিষ্ঠ মিত্র। লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রপতি গিতানাস নাউসেদা বলেছেন যে বেলুনের হুমকি লিথুয়ানিয়ায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার একটি ইচ্ছাকৃত পদক্ষেপ।
বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ রাশিয়ার থেকে বিভিন্ন ধরনের হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, যাকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি ‘হাইব্রিড অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
গত মাসে, ন্যাটোর সামরিক কমিটির প্রধান অ্যাডমিরাল জিউসেপ কাভো ড্রাগোনে বলেছেন যে পশ্চিমা সামরিক জোট রাশিয়ার হাইব্রিড যুদ্ধের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক বা প্রতিক্রিয়াশীল অবস্থান নিতে বিবেচনা করছে।
লিথুয়ানিয়া আগেও বেলারুসের বিরুদ্ধে এই ধরনের প্ররোচনামূলক কার্যকলাপের অভিযোগ করেছে। চার বছর আগে, হাজার হাজার অবৈধ অভিবাসী বেলারুস সীমান্ত অতিক্রম করেছিল।
লিথুয়ানিয়া বেলারুস সীমান্তে দুটি চেকপয়েন্ট তিন সপ্তাহের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে। বেলারুস পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে এবং লিথুয়ানিয়ান ট্রাকগুলোকে তাদের দেশে প্রবেশ করতে নিষেধ করেছে।
এই পরিস্থিতি ইউরোপীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। লিথুয়ানিয়া এবং বেলারুসের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
লিথুয়ানিয়া এবং বেলারুসের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে যদি এই পরিস্থিতি সমাধান না করা হয়। এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
এই পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ বাড়ছে। লিথুয়ানিয়া এবং বেলারুসের মধ্যে সংঘর্ষ বাড়তে পারে যদি এই সমস্যার সমাধান না করা হয়।
লিথুয়ানিয়া এবং বেলারুসের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য সকল পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
এই পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক



